Logo

সারাদেশ

৪০ বছর ধরে কোরআন বাঁধাইয়ের কাজ করেন শাহে আলম

Icon

চরফ্যাসন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৫, ১২:১১

৪০ বছর ধরে কোরআন বাঁধাইয়ের কাজ করেন শাহে আলম

ভোলার চরফ্যাশনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরিফ বাঁধাইয়ের কাজ করছেন ষাটোর্ধ্ব মো. শাহে আলম। টানা ৪০ বছর ধরে এ পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি।

শাহে আলম চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানার নীলকমল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর যমুনা গ্রামের আলী মুন্সি বাড়ির মৃত সৈয়দ মুন্সির ছোট ছেলে।

তিনি জানান, মহান আল্লাহ শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর এ আসমানি কিতাব নাজিল করেছেন, যা মুসলমানদের জন্য পথপ্রদর্শক। এ কোরআন শরিফ বাঁধাই করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং এটাকে আল্লাহর নেয়ামত হিসেবে দেখেন।

শাহে আলম বলেন, আল্লাহ আমাকে তৌফিক দান করেছেন বলেই আমি কোরআন শরিফ বাঁধাইয়ের কাজ করতে পারছি। এতে আল্লাহর বরকত ও রহমত রয়েছে।

কোরআন বাঁধাইয়ের জন্য তিনি বরমা, কাছি, সুই, সুতা, কাপড়, ছাপার কাগজসহ নানা সরঞ্জাম ব্যবহার করেন, যা একত্রে ৩০০ টাকায় ক্রয় করেছেন। প্রতিটি কোরআন শরিফ বাঁধাই করতে ১০০ টাকা নেন তিনি। তবে আকারভেদে দাম কিছুটা কম-বেশি হয় বলে জানান শাহে আলম।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরআন বাঁধাই করে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা আয় করেন তিনি। এ সামান্য আয় দিয়েই তিনি পাঁচ সদস্যের সংসার চালাচ্ছেন।

বুধবার (২৬ মার্চ) উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়নের একটি বাড়িতে ষাটোর্ধ্ব শাহে আলমকে কোরআন শরিফ বাঁধাইয়ের কাজে ব্যস্ত দেখা যায়। সেখানে স্থানীয় গৃহবধূ মুক্তা বলেন, চাচা খুব যত্নসহকারে কোরআন শরিফ বাঁধাই করেন। এতে সময় লাগে, তবে কাজটিও ভালো হয়।

শাহে আলম জানান, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে কোরআন শরিফ বাঁধাই করেন। কোনো দিন ৭-৮টি, আবার কোনো দিন কম কাজ পান। তবে এ আয় দিয়েই তিনি সংসারের খরচ চালাচ্ছেন।

এমবি 

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর