Logo

সারাদেশ

কুড়িগ্রামে ছাত্র প্রতিনিধিকে গ্রেপ্তার, এসপিকে প্রত্যাহারের দাবি

Icon

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৫, ২১:২৭

কুড়িগ্রামে ছাত্র প্রতিনিধিকে গ্রেপ্তার, এসপিকে প্রত্যাহারের দাবি

কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে অটোরিকশা আটকে দম্পতিকে হয়রানির অভিযোগে স্থানীয় ছাত্র প্রতিনিধি মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখা। এ ঘটনায় তদন্ত না করে ছাত্র প্রতিনিধিকে কারাগারে পাঠানোর জন্য জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাহফুজুর রহমানের প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার যুগ্ম দপ্তর সচিব ও দপ্তর সেলের সম্পাদক লোকমান হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ নাহিদ এ বিবৃতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি এসপির ‘ফ্যাসিস্ট আচরণ’র প্রতিবাদ জানিয়ে তাকে প্রত্যাহার দাবি জানান।

লিখিত বিবৃতিতে করা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের এবং গ্রেপ্তারের পেছনে এসপি মাহফুজুর রহমানের ফ্যাসিস্ট আচরণ দায়ী।

রাজিবপুরের বাসিন্দা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির সংগঠক রবিউল ইসলাম রবিন বলেন, ঈদের রাতে অটোরিকশায় কয়েকজন যুবক ও দুজন মেয়ে যাচ্ছিলেন। বিষয়টিতে সন্দেহজনক হওয়ায় অটোরিকশা থামিয়ে যাত্রীদের পরিচয় ও গন্তব্য জানতে চেয়েছিলেন ছাত্র প্রতিনিধি মেহেদী। শুধুমাত্র মেয়েদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এমনটা করেছেন তিনি। সেখানে বিবাহিত দম্পতি থাকার বিষয়টি জানা ছিল না। কিন্তু এ ঘটনায় ছাত্র প্রতিনিধির সঙ্গে অটোরিকশায় থাকা জেলা শিক্ষা অফিসার শামসুল আলমের ছেলে শিহাবের বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। বিষয়টিকে নিয়ে প্রভাব খাটিয়ে মামলা ও গ্রেপ্তারের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন এসপি ও জেলা শিক্ষা অফিসার।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী রাজিবপুর উপজেলার ছাত্র প্রতিনিধি মেহেদী হাসানসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। মামলায় মেহেদী ও তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে ওই ব্যবসায়ীর মেয়ে, মেয়ের জামাইসহ কয়েকজনকে অপহরণ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়। পরে ছাত্র প্রতিনিধি মেহেদীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

এ বিষয় নিয়ে জানতে জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমানকে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলেও কোনও উত্তর দেননি তিনি।

ফজলুল করিম ফারাজী/এমবি  

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর