Logo

সারাদেশ

রাজশাহীতে আমানুল্লাহ খুন, ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি

Icon

মাল্টিমিডিয়া করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৫, ১৬:৩০

রাজশাহীতে আমানুল্লাহ খুন, ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মো. আমানুল্লাহ ইমন (২২) খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. আরাফাত হোসেন নাহিদ (২৪) ও মো: আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফ (২৫) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। 

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজশাহীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। 

অভিযুক্তরা হলেন- মো. আরাফাত হোসেন নাহিদ রাজশাহীর গোদাগাড়ীর নলত্রী গ্রামের মো. আজিজুর রহমানের ছেলে ও মো. আবু বক্কর সিদ্দিক আরিফ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর থানাধীন সাতনইল দক্ষিণপাড়ার মো. আব্দুল হান্নানের ছেলে। অভিযুক্ত আরাফাত পেশায় ট্রাকচালক ও আবু বক্কর পেশায় হেলপার।

সূত্রে জানা গেছে, এ খুনের ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির পরই গোদাগাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত জব্দপূর্বক লাশের পোস্টমর্টেমের ব্যবস্থা করেন। রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অফস্) মো. খায়রুল আলমের নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) এম এ কুদ্দুস এই ক্লুলেস খুনের ঘটনায় দুইজনের সম্পৃক্ততা পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে আরাফাত হোসেন নাহিদকে গোদাগাড়ী ও আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর থেকে গ্রেপ্তার করেন। পরে গত ৩১ ডিসেম্বর রাজশাহীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করেন।

পরে রাজশাহীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আমানুল্লাহ খুনের বিষয়টি স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন অভিযুক্ত আরাফাত হোসেন নাহিদ।

অভিযুক্ত নাহিদের জবানবন্দিতে জানা যায়, গত ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর ভিকটিম আমানুল্লাহর নিকট পাওনা ১০ হাজার টাকা সংগ্রহের জন্য তিনি তার হেলপার আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফকে পাঠালে তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে ক্রোধান্বিত হয়ে তারা আমানুল্লাহকে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি জুতার ফিতা, একটি ব্লেড ও একটি সাদা গেঞ্জি সংগ্রহ করে। আমানুল্লাহ গোদাগাড়ীর নলত্রী গ্রামের মো. আব্দুল খালেকের রথিরামের ভিটায় আসলে পিছন থেকে নাহিদ জাপটে ধরেন। আবু বক্কর গেঞ্জি দিয়ে মুখ বেঁধে জুতার ফিতা দিয়ে গলায় ফাঁস দিলে ভিকটিমের শ্বাস বন্ধ হয়। এরপর আবু বক্কর ব্লেড দিয়ে আমানুল্লাহর গলায় পোচ দিয়ে হত্যা করে কৌশলে দুজনই পালিয়ে যান।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর মো. আমানুল্লাহ খুন হলে বাদি হয়ে ৩০ ডিসেম্বর তার বাবা মো. কামরুজ্জামান গোদাগাড়ী থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জয় খ্রীষ্টফার বিশ্বাস/এমবি  

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর