দিনাজপুরে বেসরকারি এতিমখানা ও আশ্রমে ক্যাপিটেশন গ্র্যান্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রথাগত ফুল দিয়ে বরণ অনুষ্ঠান বর্জন করে সেই অর্থে ধর্মীয় গ্রন্থ ও সামগ্রী বিতরণ করেছেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।
শনিবার বেলা ১১টায় দিনাজপুর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানের শুরুতে সঞ্চালক ঘোষণা করেন যে, মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আয়োজনে কোনো প্রকার ফুলের তোড়া ব্যবহার করা হবে না। ফুলের পেছনে ব্যয় হওয়ার কথা ছিল এমন অর্থ দিয়ে মন্ত্রীর পরামর্শে জায়নামাজ ও গীতা সংগ্রহ করা হয়েছে।
প্রধান অতিথিকে মঞ্চে বরণের সময় প্রথাগত ফুলের পরিবর্তে এই সামগ্রীগুলো বিতরণ করা হয়। মন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে উপস্থিত সুধীবৃন্দ করতালি দিয়ে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী মোট ২৭ জনকে জায়নামাজ ও ৬ জনকে গীতা প্রদান করেন।
আয়োজক সূত্রে জানানো হয়, অপচয় রোধ এবং জনকল্যাণমূলক কাজে অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণত রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠানে ফুলের তোড়ার পেছনে যে অর্থ ব্যয় হয়, তা ক্ষণস্থায়ী। সেই তুলনায় ধর্মীয় গ্রন্থ বা জায়নামাজ দীর্ঘমেয়াদে মানুষের উপকারে আসবে বলেই মন্ত্রী এই উদ্যোগ নেন।
জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া। দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক। পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা। রংপুর বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোছা. নিলুফা সুলতানা। জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল। সিভিল সার্জন মো. আসিফ ফেরদৌস।
চেক বিতরণ ও এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
বিকে/মান্নান

