ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় জেলে পরিবারে মাছ ধরা শুরু
ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৫৭
ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায়
জেলে পরিবারে মাছ ধরা শুরু
ভোলা প্রতিনিধি
ইলিশসহ অন্যান্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর অভয়াশ্রমে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে, ১২ টার পর থেকে শুরু হয়েছে মাছ ধরা। ইতোমধ্যেই জেলেরা নতুন উদ্দ্যোমে নদীতে মাছ ধরা শুরু করেছে। আর তাই ভোলার বিভিন্ন মৎস্য ঘাট ও জেলে পল্লীতে
আনন্দ উৎসবে আমেজ বিরাজ করছে। তবে জেলেদের অভিযোগ
নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও যথাসময়ে তাদের জন্য সরকারি বরাদ্দকৃত
চাল তারা পায়নি। ভোলার বিভিন্ন মৎস্য ঘাট ঘুরে দেখা গেছে, জেলে পল্লীতে আনন্দ উৎসবে আমেজ বিরাজ করছে। নদীতে মাছ ধরতে পারবে এই আশায় জেলেদের মুখে এখন হাসি ফুটে উঠেছে। মৎস্য আড়ৎ গুলোতে আবার প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। গেলো দুই মাস মাচ-এপ্রিল দেশের ছয়টি অভয়াশ্রমে সকল প্রকার মাছ ধরার উপর মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
এতে করে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকার অভায়শ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকে। নিষেধাজ্ঞা শেষে মধ্যরাত থেকে জেলেরা সংকট কাটিয়ে নতুন উদ্দ্যোমে উৎসবমুখর পরিবেশে নদীতে মাছ শিকারে নামে। তারা আশা করছে নদীতে প্রচুর পরিমাণে মাছ পেলে পিছনের ধার দেনা পরিশোধ করে স্ব”ছলতা ফিরে
আসবে।
এদিকে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞাকালীন সময় ভোলার দুই লক্ষাধিক জেলে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় বিপাকে পরেছে বলে জানান তারা। এ সময়ে কর্মহীন জেলেরা পরিবারে সদস্যদের নিয়ে চরম অভাব অনটনে দিন কাটায়। নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি সহায় তার চালও যথা সময়ে সকলে জেলেদের ভাগ্যে জোটেনি বলে অভিযোগ করেছেন তারা। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান,নিষেধাজ্ঞা কালিন সময়ে জেলেদের ইলিশ সম্পদ ব্যব¯’াপনা প্রকল্পের আওতায় জেলেদের খাদ্য সামগ্রী দিয়ে হয়েছে ও ভিজিএফ চাল দেয়া হয়েছে। তার মতে অভয়াশ্রমে সংরক্ষণ কার্যক্রম সফল হয়েছে। এতে করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এবং জেলেরা বেশী করে মাছ পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ভোলায় চলতি অর্থ বছরে ইলিশ উৎপাদন লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন।
বিকে/মান্নান

