Logo

সারাদেশ

উন্নয়নের ছোঁয়ার বদলে গেছে পীরগঞ্জের গ্রামীণ জনপদ

Icon

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ২০:৫৪

উন্নয়নের ছোঁয়ার বদলে গেছে পীরগঞ্জের গ্রামীণ জনপদ

রংপুরের পীরগঞ্জে গ্রামীণ জনপদের চিত্র পাল্টে যাচ্ছে, এলাকাবাসী খুব সহজেই যাতায়াত করতে পারছে। উন্নয়নমুখী কাজগুলো চলমান রয়েছে। পীরগঞ্জ উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে কাবিখা, কাবিটা ও টিআর কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার সমস্যা সমাধান হচ্ছে। ১৫ টি ইউনিয়ন এ পরিবর্তনের হাওয়া বইছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা/কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় ২ কোটি ১০ লাখ ৬৪ হাজার ১০৬ টাকা বরাদ্দে ৭১টি প্রকল্প এবং ১২৫.৫৪৭৭ মেট্রিক টন চালের বিপরীতে ২১টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়া গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ১ কোটি ৬৬ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮২ টাকা বরাদ্দে ৯২টি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। 

নিজ কবিলপুর গ্রামের লোকজন বলছেন, কটার কিলোমিটার রাস্তার কারণে তারা ২ কিলোমিটার পথ হয়রানির হতে হতো। বর্ষা মৌসুমে এ পথটি একেবারেই অচল হয়ে যেত। এইবিবি'র রাস্তা নির্মাণের কারনে তারা সহজেই বাড়ি থেকে চলাফেরা করতে পারছে।

চতরা এলাকার লোকজন জানান, চতরা ইউনিয়ন ঘেঁষে আদিবাসীদের টিকা পাড়া ১ দিন বৃষ্টি হলে ৫ দিন বাড়ি থেকে বেড় হওয়া বড় কষ্টকর ব্যাপার। কাদামটি মধ্যে দিয়ে পায়ের জুতা হাতে নিয়ে এই পথে চলাফেরা করতে হতো। আদিবাসী পাড়া লোকজন কাউকে কিছু বলতেও পারেনা। বর্তমানে নতুন রাস্তা পেয়ে তারা অনেক খুশি। ইতিপূর্বেও প্রকল্পের অধীনে অনেক কাজ করা হয়েছে সেই তুলনায় বর্তমানে প্রকল্পের কাজগুলো এলাকার সমস্যা সমাধান করছে।

উপজেলা প্রকল্প অফিসের লোকজনের তদারকি জোরদার রয়েছে বলে ভালো মানের কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে।  এছাড়াও  ইটের সলিং, সিসি ঢালাই এবং এইচবিবি'র কাজের ফলে বর্ষা মৌসুমে কাদামুক্ত রাস্তায় যাতায়াতের স্বস্তি ফিরেছে গ্রামবাসীদের। বিগত দিনে বর্ষা মৌসুমে কাদার কারণে এসব রাস্তায় চলাচল করা অসম্ভব হতো। রাস্তাগুলোর ইটের সলিং ও পাকা হওয়ায় তারা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারছেন এবং  এজন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তারা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল আজিজ জানান, উপজেলা সকাল ইউনিয়নের জনগুরুত্বপূর্ণ চলাচলের রাস্তাগুলো আমরা প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন করার চেষ্টা করছি। গ্রামের মানুষের সুবিধার্থে আমরা প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন করার চেষ্টা করছি।

এছাড়াও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পপি খাতুন অধিকাংশ প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং আমাদের অফিসের লোকজন সবসময়ই মাঠের কাজ পরিদর্শন করে থাকেন। যে কারণে  কাজের মান দৃশ্যমান হয়ে উঠছে বলে তিনি মনে করছেন।

বাংলাদেশের খবর/ এম.আর

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন