Logo

আন্তর্জাতিক

লেবাননেও যুদ্ধবিরতি নিয়ে সংশয়

Icon

হাসান রাজীব

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৫৫

লেবাননেও যুদ্ধবিরতি নিয়ে সংশয়

আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননজুড়ে দফায় দফায় ইসরায়েলি হামলার ঘটনা ঘটছে। গত মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবানিজ কর্তৃপক্ষ ও রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সোমবার সামরিক বাহিনীর উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, লেবাননের সঙ্গে হওয়া চুক্তির শর্তানুসারে ইসরায়েলের যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই ‘অ্যাকশন’ বা ব্যবস্থা গ্রহণের স্বাধীনতা যুক্তরাষ্ট্র ও লেবানন সরকারের সঙ্গে হওয়া চুক্তিরই অংশ। 

এদিকে, লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে গত সোমবার প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে অন্তত ২,৫২১ জন নিহত এবং ৭,৮০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক হামলা পুনরায় শুরু করার পরিবর্তে দেশটির ওপর দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধ বজায় রাখার পরিকল্পনা করছেন। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প ইতিমধ্যে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের এই দীর্ঘস্থায়ী অবরোধের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের বন্দরগুলোতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে দেশটির অর্থনীতি এবং তেল রপ্তানির ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করা। ওয়াশিংটন মনে করছে, যুদ্ধের চেয়ে এই অর্থনৈতিক ও নৌ-অবরোধ তেহরানকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তেহরানের ওপর আরোপিত শর্তগুলো থেকে সরে আসতে ট্রাম্প এখনো নারাজ। বিশেষ করে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি অন্তত ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার যে দাবি যুক্তরাষ্ট্র করেছে, তা থেকে পিছু হটার কোনো ইঙ্গিত দেননি তিনি। 

আর ইরানের কর্মকর্তারা মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছেন, নতুন প্রস্তাব দেওয়ার আগে তাদের নেতৃত্বের সঙ্গে পরামর্শের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। বার্তা সংস্থা তাসনিমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরান বর্তমানে সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নির্দেশনায় আলোচনা চালাচ্ছে। স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই আলোচনা পরিচালনা করছেন।

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৮: লেবাননের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, টায়ার শহরের নিকটবর্তী মাজদাল জোনের একটি ভবনে চালানো প্রাথমিক হামলায় দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। পরবর্তীতে উদ্ধারকাজ চলাকালীন একই স্থানে দ্বিতীয় দফা হামলায় তিন সিভিল ডিফেন্স কর্মী প্রাণ হারান, যারা আগের হামলায় আহতদের সহায়তা করছিলেন।

লেবাননের সেনাবাহিনী ও সিভিল ডিফেন্স নিশ্চিত করেছে যে, দ্বিতীয় দফা ওই হামলায় সেনাবাহিনীর দুই সদস্যও আহত হয়েছেন। 

লেবানিজ প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের কার্যালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ত্রাণ ও জরুরি সেবা কর্মীদের লক্ষ্য করে চালানো ধারাবাহিক হামলার অংশ এটি। এ ছাড়া পৃথক হামলায় দক্ষিণ লেবাননের তিবনিন ও শাকরা শহরে দুজন এবং জুয়ায়া শহরে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। 

কংগ্রেসে জেরার মুখে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী: ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল মার্কিন কংগ্রেসে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার কথা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম তিনি কংগ্রেসের সামনে সাক্ষ্য দিতে যান, যা ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

গতকাল বুধবার প্রতিনিধি পরিষদের আর্মড সার্ভিস কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ শুনানিতে অংশ নেওয়ার কথা পিট হেগসেথের। এই শুনানিতে তাকে আইনপ্রণেতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে হবে, বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কৌশল, সামরিক পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে।

এই শুনানির মূল আলোচ্য বিষয় হিসেবে থাকছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাজেটের চেয়েও ইরান যুদ্ধ ইস্যুই শুনানির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসতে পারে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে এই যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

এর আগে ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে কংগ্রেস সদস্যদের জন্য আয়োজিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের আইনপ্রণেতারা। তারা অভিযোগ করেন, যুদ্ধের কৌশল ও বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে পর্যাপ্ত ও স্বচ্ছ তথ্য দেওয়া হয়নি। এর ফলে প্রশাসনের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে আজকের শুনানি বেশ উত্তপ্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কংগ্রেস সদস্যরা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কাছে যুদ্ধের উদ্দেশ্য, সময়কাল, ব্যয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইতে পারেন।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে পড়লেও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা ‘এখনো অব্যাহত রয়েছে’ বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেওয়া এক পোস্টে শাহবাজ শরিফ বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাপক প্রচেষ্টার কারণে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, যা এখনো চলছে।’ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি রাখা হবে না।’

এদিকে, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আলোচকেরা ইরানিদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউসের দাবি, যুদ্ধের মধ্যে ইরান তাদের নেতৃত্বে নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেছেন, ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কেবল এমন একটি চুক্তি করবেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা প্রাধান্য পাবে।

হরমুজে টোল দিবে না উপসাগরীয় ৬ দেশ: বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী ব্যবহারে ইরানের প্রস্তাবিত টোল দিতে সাফ না বলে দিয়েছে উপসাগরীয় ৬ দেশ। এতে নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল বা জিসিসিভুক্ত দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন এবং ওমান মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেদ্দায় বৈঠক করে এ সিদ্ধান্ত জানায়। 

বৈঠক শেষে জিসিসি মহাসচিব জাসেম মোহামেদ আলবুদাইউই এক বিবৃতিতে বলেন, হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ইরানের টোল আদায়ের প্রস্তাব ‘অবৈধ’ এবং তা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি স্পষ্ট করে জানান, জিসিসি ও এর সদস্য দেশগুলো এ ধরনের কোনো অর্থ পরিশোধ করবে না।

ইরানে দীর্ঘ অবরোধের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের: ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ দীর্ঘ সময় ধরে বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এজন্য তিনি সহযোগীদের প্রস্তুতিও নিতে বলেছেন। 

মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (ডব্লিউএসজে) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পুনরায় সামরিক হামলা শুরু না করে ইরানের অর্থনীতি ও তেল রপ্তানির ওপর চাপ বজায় রাখতে ট্রাম্প এমন কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন। এজন্য দেশটির বন্দরগুলোতে যাতায়াতকারী জাহাজ চলাচল আরও সীমিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প চান তেহরান অন্তত ২০ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখুক। ইরান নতুন প্রস্তাব দিলেও ট্রাম্প এই দাবি থেকে সরে আসতে চান না। তার মতে, বিকল্প পদক্ষেপগুলো অবরোধ বজায় রাখার চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

ইরানের পাশে থাকবে রাশিয়া- পুতিন: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো ইরানের সঙ্গে তাদের কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও শান্তি নিশ্চিত করতে ‘যা কিছু প্রয়োজন’ তা করবে।

সেন্ট পিটার্সবার্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। পুতিন জানান, সম্প্রতি তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির একটি বার্তা পেয়েছেন। খবর দ্যা মিডল ইস্ট মনিটরের। 

তিনি বলেন, ‘আমি আপনাকে অনুরোধ করছি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও সম্মান পৌঁছে দিন।’ একই সঙ্গে পুতিন জোর দিয়ে বলেন, রাশিয়া তেহরানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক অব্যাহত রাখবে এবং তা আরও বিকশিত করবে।   

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের জনগণ তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ‘সাহসিকতা ও বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করছে’ এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন যে তারা বর্তমান চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠবে এবং দেশে শান্তি ফিরে আসবে।

এদিকে, ইরানের কর্মকর্তারা মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এসব কঠিন শর্তের বিপরীতে একটি সংশোধিত প্রস্তাব জমা দেওয়ার আগে তাদের উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আরও বিস্তারিত আলোচনার জন্য সময়ের প্রয়োজন। তেহরান বর্তমানে পাকিস্তানের মাধ্যমে শান্তি আলোচনার প্রস্তাব দিলেও ওয়াশিংটনের দীর্ঘমেয়াদী অবরোধের পরিকল্পনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। 

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান এটাই ইঙ্গিত দেয় যে তিনি ইরানের সঙ্গে কোনো তাড়াহুড়ো করে চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী নন বরং পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রণ আরোপই তার প্রধান লক্ষ্য।

সামগ্রিকভাবে ট্রাম্পের এই দীর্ঘমেয়াদী অবরোধের পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি বাজার এবং বিশ্ব বাণিজ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যেহেতু হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী সমুদ্রপথগুলো দিয়ে বিশ্বের তেলের একটি বড় অংশ পরিবাহিত হয়, তাই এই অবরোধ দীর্ঘায়িত হলে তেলের দামের অস্থিরতা বজায় থাকবে।

গতকাল শুনানির মূল আলোচ্য বিষয় হিসেবে থাকছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাজেটের চেয়েও ইরান যুদ্ধ ইস্যুই শুনানির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসতে পারে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে এই যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

এর আগে ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে কংগ্রেস সদস্যদের জন্য আয়োজিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান-উভয় দলের আইনপ্রণেতারা। তারা অভিযোগ করেন, যুদ্ধের কৌশল ও বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে পর্যাপ্ত ও স্বচ্ছ তথ্য দেওয়া হয়নি। এর ফলে প্রশাসনের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে গতকালের শুনানি বেশ উত্তপ্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কংগ্রেস সদস্যরা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কাছে যুদ্ধের উদ্দেশ্য, সময়কাল, ব্যয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইতে পারেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই শুনানি শুধু প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদনের জন্যই নয়, বরং ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রশাসনের অবস্থান পরিষ্কার করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে সরকারের ভবিষ্যৎ কৌশল এবং কংগ্রেসের সমর্থন পাওয়ার বিষয়টিও অনেকাংশে নির্ভর করবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং বৈদেশিক নীতিতে এই শুনানির প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে যুদ্ধ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও ব্যয় নিয়ে জনমত এবং রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে।


বাংলাদেশের খবর/এইচআর

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন