Logo

জাতীয়

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা কার্যক্রম ১৪ মার্চ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ২২:৫৯

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা কার্যক্রম ১৪ মার্চ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী ১৪ মার্চ দেশের সব মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য উপাসনালয়ের ধর্মীয় কর্মীদের জন্য সরকার প্রদত্ত মাসিক সম্মানী ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৮ মার্চ) ধর্ম মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতাদের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর অঙ্গীকার করা হয়েছিল। সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধাপে ধাপে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পর পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে এই ভাতা চালু করা হবে। প্রথম পর্যায়ে সারা দেশের প্রতি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে একটি করে মোট ৪,৯০৮টি মসজিদ, প্রতি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ৯৯০টি মন্দির, ৭২টি উপজেলায় অবস্থিত বৌদ্ধ বিহারগুলোর মধ্যে প্রতি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ১৪৪টি বিহার এবং ১৯৮টি উপজেলায় অবস্থিত গির্জার মধ্যে প্রতি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ৩৯৬টি গির্জা এই কর্মসূচির আওতায় থাকবে।

ভাতার পরিমাণ সম্পর্কে ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, পাইলট প্রকল্পে প্রতি মসজিদের ইমাম পাবেন পাঁচ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন পাবেন তিন হাজার টাকা এবং খাদেম পাবেন দুই হাজার টাকা। ফলে একটি মসজিদের জন্য মোট বরাদ্দ হবে দশ হাজার টাকা। মন্দিরের পুরোহিত পাবেন পাঁচ হাজার টাকা, সেবায়েত পাবেন তিন হাজার টাকা। বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ পাবেন পাঁচ হাজার ও উপাধ্যক্ষ পাবেন তিন হাজার টাকা। গির্জার যাজক পাবেন পাঁচ হাজার ও সহকারী যাজক পাবেন তিন হাজার টাকা। প্রতিটি মন্দির, বিহার ও গির্জার জন্য মোট বরাদ্দ আট হাজার টাকা।

এছাড়া প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে পৃথক ভাতা দেওয়া হবে। ইমাম-মুয়াজ্জিনরা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় এক হাজার টাকা করে উৎসব ভাতা পাবেন। দুর্গাপূজা, বুদ্ধপূর্ণিমা ও বড়দিনে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের দুই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

উপদেষ্টা জানান, এই কর্মসূচির জন্য চলতি অর্থবছরে ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে নির্বাচিত উপকারভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সম্মানী নগদ হাতে হাতে দেওয়া হবে না, বরং সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো হবে, যাতে কোনো ধরনের দুর্নীতির সুযোগ না থাকে।

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর