সদস্যদের নাম দিতে সময় নিল বিরোধী দল
সংবিধান সংশোধনে হচ্ছে কমিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০০:১৫
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, গণভোটের ফলাফল এবং সংবিধান সংশোধন বনাম সংস্কার- এই তিনটি মৌলিক প্রশ্নকে ঘিরে জাতীয় সংসদে নতুন করে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। সরকার সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে সর্বদলীয় বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিলেও বিরোধী দল তাৎক্ষণিক সাড়া না দিয়ে সময় চেয়েছে, কারণ তারা সংশোধনের পরিবর্তে সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ ‘সংস্কার’ চায় এবং জুলাই সনদের ৪৮টি প্রস্তাব হুবহু বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছে।
এদিকে সরকার গণভোট ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’-এর আইনগত বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবং সংশোধনের মাধ্যমেই এগোতে চায়। প্রস্তাবিত কমিটিতে ১২ সদস্যের তালিকা প্রস্তুত করে বিরোধী দলের কাছ থেকে আরও পাঁচজনের নাম চাওয়া হলেও এ নিয়ে তাৎক্ষণিক ঐকমত্য হয়নি।
একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন, নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম, দ্বৈত শপথ গ্রহণের জটিলতা এবং সংসদের ভূমিকা নিয়ে বিরোধ আরও ঘনীভূত হয়েছে। ফলে সংবিধান সংশোধন না সংস্কার- কোন পথে দেশ এগোবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার শঙ্কা আবারও সামনে এসেছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে।
অধিবেশনে জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনে সরকারের দেওয়া প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধী দল বলেছে, এই সংসদীয় কমিটিতে যোগদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তাদের সময় প্রয়োজন, কারণ তারা সংবিধান ‘সংস্কার’ চায়।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তিনি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর আগে সংবিধানে সংশোধনী আনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১২ সদস্যের একটি তালিকা তৈরি করেছি, যার মধ্যে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা রয়েছেন।’
আইন মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজকে যে সাংবিধানিক চর্চা চলে চায়ের দোকান পর্যন্ত যে সাংবিধানিক চর্চা চলে সেই সাংবিধানিক চর্চা আমরা এখানেও করতে চাই। সেই চর্চার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে আমি এবং আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই সংসদে উপস্থাপন করেছিলেন যে আমরা একটি সংসদীয় বিশেষ কমিটি করতে চাই যেটা সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি আমাদের রুল ২৬৬ অনুসারে সেই কমিটির বিষয়ে আমরা ১২ জনের নাম তালিকা ঠিক করেছি। তিনি আরও বলেন, যেখানে বিএনপি আছে, যেখানে গণঅধিকার পরিষদ আছে, যেখানে গণসংহতি আছে, যেখানে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টিও আছে এবং স্বতন্ত্র সদস্যদেরকেও রাখা হয়েছে ১২ জনের একটি তালিকায়।
তিনি বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি বিরোধী দলের পক্ষ থেকে যদি আমি পারসেন্টেজ হিসেবে যাই ২৬ শতাংশ আসে সেখানে আমরা উনাদের পক্ষ থেকে পাঁচজনের নাম চাচ্ছি। এখানে ১২ জনের মধ্যে বিএনপি সাতজন দিয়েছে পাঁচজন অন্য দলের থেকে দেওয়া হয়েছে এবং উনাদের পক্ষ থেকে যদি পাঁচজনকে দেওয়া হয় তাহলে এই কমিটি সংক্রান্ত বিষয় আমরা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) উপস্থাপন করতে চাই সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গঠন করার জন্য। বৃহস্পতিবার আমরা চাই উনাদের পক্ষ থেকে যদি পাঁচজনের নাম দেন তাহলে আমরা এই কমিটি গঠন করে আমরা সংশোধন সংবিধান সংশোধন এবং জুলাই সনদকে সামনে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।
এ পর্যায়ে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বিরোধী দলের নেতা আইনমন্ত্রী যে কথাটা বললেন যে বিএনপি থেকে সাতজন আর অন্যান্য সংগঠন থেকে পাঁচ জন এই ১২ জনের একটা তালিকা ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে প্রস্তুত করেছেন। আপনাদের অপোজিশন থেকে পাঁচজনের তালিকা চাচ্ছেন। সুতরাং এই ১৭ জন নিয়ে উনারা যে বিশেষ কমিটিটা করবেন তো দয়া করে যদি আপনি আপনাদের পাঁচজনের তালিকাটা দেন তাহলে হয়তো কমিটি গঠন প্রক্রিয়াটা এগিয়ে যাবে।
বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ বিষয়টা নিয়ে চিফ হুইপ আমার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং উনি যথারীতি সংসদ নেতার সালাম দিয়েই কথা বলেছিলেন। তো আমি উনাকে বলেছি যে এই বিষয়টা আমাদের মাঝে একটু আলোচনার বিষয় আছে। কারণ এখানে কনসেপচুয়াল ডিফারেন্স আছে আমাদের। তা আমরা আলোচনা করে জানাবো। এটা আজকেই হয়ে যাবে বিষয়েটি এমন হবে না। আর কি এই সেশনটা আমরা এটা মত দিতে পারবো না। কারণ আমরা চেয়েছি রিফর্ম। আর এখানে হচ্ছে আপনার এমেন্ডমেন্ট। এই জায়গাটায় আগেও আমাদের ডিফারেন্স ছিল। উনাদের যে প্রস্তাব উনারা দিয়েছেন সেটাকে আমরা নিলাম শুনলাম কিন্তু আমরা পরে জানাব এখন আমরা কিছু বলছি না এ ব্যাপারে।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের এটাতে কোনো অসুবিধা নাই। আমরা অপেক্ষা করব আমরা সংবিধান সংশোধনের পথে এগিয়ে যাব জুলাই সনদের আলোকে সুতরাং আমাদের যদি এজন্য অপেক্ষা করতে হয় আমাদের পরবর্তী সেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে কোনো অসুবিধা হবে না।
এরপর ডেপুটি স্পিকার বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা তাহলে সংসদীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হচ্ছে যে ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে ১২ জনের সদস্য প্রস্তুত আছে এবং বিরোধীদল থেকে পাঁচজনের নাম বা এই সম্পর্কিত বিষয় আলোচনার মাধ্যমে একটা ডিসিশনে আসবে এবং সেজন্য ট্রেজারি বেঞ্চ রেডি রয়েছে।
বিতর্কের মূলে ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ ও ‘গণভোট অধ্যাদেশ’: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তৈরি হয় ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’। এতে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব আছে। তার মধ্যে ৪৮টি সরাসরি সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত। বাকি ৩৬টি আইন প্রণয়ন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য।
সনদ বাস্তবায়নের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত বছরের ১৩ নভেম্বর ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করা হয়। এতে ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ ডাকার এবং ১৮০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা বলা হয়।
গণভোটে চারটি প্রশ্ন একত্রে একটি ‘হ্যাঁ/না’ উত্তরে ভোট হয়। এতে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়। বিএনপি দলীয় সিদ্ধান্তে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে অতিরিক্ত শপথ গ্রহণ করেননি। ফলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হয়নি। তবে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্যরা দুটি শপথই নিয়েছেন।
গত ২৯ মার্চ বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান’ করার দাবিতে একটি মুলতবি প্রস্তাব আনেন। ৩১ মার্চ এই প্রস্তাবের ওপর দুই ঘণ্টার উত্তপ্ত বিতর্ক চললেও কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
সরকারি দলের অবস্থান: গত ৩১ মার্চের আলোচনায় সরকারি দলের পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থান স্পষ্ট হয়। সরকারি দল বিএনপি এই সংস্কার পরিষদ বা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
দলটি বলছে, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ (সংবিধান সংস্কার) কোনো বৈধ আইন বা অধ্যাদেশ নয়। তাদের ভাষ্য, গণভোটে যে চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন ছিল, তার একটিতেও সরাসরি ‘সংস্কার কাউন্সিল’ বা পরিষদ গঠনের কথা উল্লেখ ছিল না। পরিষদের বিষয়টি কেবল আদেশের প্রস্তাবনার একটি অংশ হিসেবে ছিল।
দলটির মতে, সংবিধান সংস্কারের জন্য আলাদা পরিষদের প্রয়োজন নেই, আলোচনার মাধ্যমেই এটি ঠিক করা সম্ভব। এছাড়া গণভোট অধ্যাদেশ ছাড়াই সংস্কারের বিষয়গুলো সরাসরি আরপিও-তে যুক্ত করা যেতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ৩১ মার্চের আলোচনায় বলেন, এই আদেশ আসলে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল’। তার যুক্তি, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিলের আগ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি এমন আদেশ জারি করতে পারতেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ গঠনের পর রাষ্ট্রপতির এমন একক আদেশ জারির কোনো এখতিয়ার নেই।
তিনি একে রাজহংসকে (রাষ্ট্রপতিকে) জোরপূর্বক স্বর্ণের ডিম পাড়তে বাধ্য করার মতো ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ১৩৩টা অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু এই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ আনা হয়নি। কারণ এটা না অধ্যাদেশ, না আইন।
তার মতে, কোনো আদেশের মাধ্যমে এই সার্বভৌম সংসদকে ১৮০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করতে বাধ্য করা যায় না। পরবর্তী সংসদকে বাধ্য করার মতো নজির পৃথিবীতে নেই।
বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর মানে, কিন্তু গণভোটে একটা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সবকিছু চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। সালাহউদ্দিন আহমদ প্রশ্ন তোলেন, কেন চারটি ভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে একটি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়ে নেওয়া হলো। এটি জনরায়ের সঠিক প্রতিফলন নয়।
সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানের বিধান পরিবর্তন হয় এমন কোনো অধ্যাদেশ রাষ্ট্রপতি জারি করতে পারেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ অবৈধ, এখতিয়ার-বহির্ভূত। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে শপথ পড়ানোর মাধ্যমে সিইসি শপথ ভঙ্গ করেছেন, সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সবকিছু সংবিধানের পথ ধরে চলবে। জুলাই সনদের প্রস্তাবগুলো সংশোধন সাপেক্ষে বাস্তবায়ন হবে।
এদিকে গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ বিএনপি সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বাতিল হয়ে যাবে। দলটি বলেছে, গণভোট হয়ে যাওয়ায় অধ্যাদেশটি আর সংসদে তোলার প্রয়োজন নেই।
বিরোধী দলের অবস্থান: জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলের দাবি, জুলাই সনদের ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর জনগণ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে রায় দিয়েছে। জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেন, এই আদেশ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ফল। গণভোটে ৭০ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ এসেছে, এটাকে অস্বীকার করলে সংসদ নিজেকে অসম্মান করবে।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, অতীতে ১৯৭৭, এরশাদ আমল আর ১৯৯১-এও গণভোট হয়েছে, সংবিধানে না থাকলেও কার্যকর হয়েছে। বিএনপি নিজেরাই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে ছিল, নির্বাচন আর গণভোট একদিনে করার দাবি করেছিল। এখন অসাংবিধানিক বললে স্ববিরোধিতা হয়।
জামায়াতের এমপি নাজিবুর রহমান যোগ করেন, সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির আদেশ আইনের মর্যাদা পায়। মৌলিক কাঠামো বদলাতে সাধারণ সংশোধন যথেষ্ট নয়- সংস্কার পরিষদ দরকার।
আরেক বিরোধী দলের নেতা এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ থেকে ৮ আগস্ট দেশে সরকারই ছিল না, সংবিধান তখন কতটা কাজ করেছে? এই প্রশ্ন তুলে এই সংসদের নৈতিক ভিত্তিকে ‘জনগণের অভিপ্রায়’ হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।
বিশেষ কমিটির প্রস্তাব ও বিরোধ: ৩১ মার্চ সরকারি দল সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সব দলের ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটির প্রস্তাব দেয়। এই কমিটির মাধ্যমেই আলোচনার ভিত্তিতে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান ‘সংশোধন’ বিল আনা হবে।
বিরোধী নেতা শফিকুর রহমান বলেন, সংস্কার নিয়ে আলোচনা হলে কমিটি বিবেচনা করা যায়। তবে সরকার ও বিরোধী দলের সমান সংখ্যক সদস্য (৫০-৫০) রাখতে হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে হলে সরকারি দল সব সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবে- এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি স্পিকারকে বলেন, ‘এখন সিদ্ধান্ত আপনার।’
এদিকে আইনমন্ত্রী এই দাবির সমালোচনা করে বলেন, ২১৯ জন এমপির প্রতিনিধিরা ৫০ শতাংশ আর ৭৭ জনের প্রতিনিধিরা ৫০ শতাংশ- এটা বৈষম্য।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

