দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া: বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন
মাসুদ রানা
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৪০
মাসুদ রানা, ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বরাবরই একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তবমুখী পথ অনুসরণ করেছেÑ যেখানে কূটনীতির মূল লক্ষ্য ছিল জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করা। স্বাধীনতার পর থেকে দেশটি ধীরে ধীরে বিভিন্ন বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, একই সঙ্গে আঞ্চলিক সহযোগিতার সুযোগও কাজে লাগিয়েছে।
তবে বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে, ভূরাজনৈতিক টানাপোড়ন বাড়ছে, আর বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা বা সাপ্লাই চেইন নতুনভাবে বিন্যস্ত হচ্ছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় বাংলাদেশের সামনে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলছে- যদি দেশটি সঠিক সময়ে সঠিক কৌশল গ্রহণ করতে পারে। সেই জায়গা থেকেই ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতিকে আরও কার্যকর ও অগ্রাধিকারভিত্তিক করে তোলা এখন সময়ের দাবি।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া তথা আসিয়ান আজ বৈশ্বিক অর্থনীতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। এই জোটের দেশগুলো গত কয়েক দশকে যেভাবে পরিকল্পিত উন্নয়ন করেছে, তা অনেক দেশের জন্যই একটি অনুসরণযোগ্য মডেল। শিল্পায়ন, প্রযুক্তির দ্রুত ব্যবহার, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে তারা নিজেদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছে। একই সঙ্গে তারা বৈশ্বিক উৎপাদন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
উদাহরণ হিসেবে ভিয়েতনামকে দেখা যেতে পারে, যেখানে বহুজাতিক কোম্পানির বিনিয়োগে ইলেকট্রনিকস উৎপাদন ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। থাইল্যান্ড অটোমোবাইল শিল্পে এমন একটি অবস্থান তৈরি করেছে, যেখানে বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ড তাদের উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর উচ্চ প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং আর্থিক খাতে নিজেদের আলাদা অবস্থান গড়ে তুলেছে- বিশেষ করে সিঙ্গাপুর আজ একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত। অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়া তার বিপুল জনসংখ্যা ও দ্রুত বিস্তৃত মধ্যবিত্ত শ্রেণির কারণে একটি বিশাল ভোক্তা বাজারে পরিণত হয়েছে।
এই দেশগুলোর সাফল্যের পেছনে শুধু নিজেদের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নই নয়, বরং পারস্পরিক সহযোগিতাও বড় ভূমিকা রেখেছে। আঞ্চলিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং নীতিগত সমন্বয়ের মাধ্যমে তারা একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক বলয় তৈরি করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য স্থিতিশীল ও আকর্ষণীয় পরিবেশ নিশ্চিত করে। তাদের অভিজ্ঞতা থেকে স্পষ্টÑ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং দক্ষ কূটনীতি থাকলে একটি দেশ দ্রুত অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটাতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলের বাজারে প্রবেশ, বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং যৌথ উৎপাদনের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে দেশের প্রবৃদ্ধি আরও বহুমুখী ও টেকসই হবে। একইসঙ্গে, এটি বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্যে অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।
বর্তমানে বাংলাদেশের রপ্তানি কাঠামো বলতে গেলে তৈরি পোশাক শিল্পেই সীমাবদ্ধ এবং এই পণ্যের বড় অংশ রপ্তানি হয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও উত্তর আমেরিকার বাজারে। এই নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, ওই অঞ্চলগুলোতে অর্থনৈতিক মন্দা, বাণিজ্যনীতি পরিবর্তন বা রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের রপ্তানিতে। ফলে অর্থনীতিও চাপের মুখে পড়ে।
এই বাস্তবতায় রপ্তানি বাজার ও পণ্যের বৈচিত্র্য আনা এখন আর বিকল্প নয়, বরং অপরিহার্য। নতুন বাজার খুঁজে বের করা এবং নতুন পণ্য নিয়ে সেখানে প্রবেশ করা- এই দুই দিকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ এনে দিয়েছে। এই অঞ্চলে দ্রুত নগরায়ণ হচ্ছে, মধ্যবিত্ত শ্রেণি বাড়ছে, মানুষের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে। ফলে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের চাহিদা তৈরি হচ্ছে, যা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।
শুধু তৈরি পোশাক নয়, বাংলাদেশের ওষুধশিল্প, চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল সামগ্রী, প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তি সেবা- এসব খাতেও এই অঞ্চলে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে এই বাজারগুলোতে প্রবেশ করতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানি ঝুঁকি কমবে এবং অর্থনীতি আরও স্থিতিশীল হবে। একাধিক বাজারে উপস্থিতি থাকলে কোনো একটি অঞ্চলে সমস্যা দেখা দিলেও অন্য বাজারগুলো সেই ক্ষতি আংশিকভাবে পুষিয়ে দিতে পারবে।
তবে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে কেবল ইচ্ছা থাকলেই চলবে না; প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ। আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির দিকে নজর দেওয়া জরুরি। বাংলাদেশ যেহেতু স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পথে, তাই ভবিষ্যতে শুল্ক সুবিধা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আগেভাগেই নতুন বাণিজ্য চুক্তি এবং শক্তিশালী কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে।
অ্যাক্ট ইস্ট নীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে। সড়ক, রেল, সমুদ্রবন্দর ও আকাশপথ উন্নত করা গেলে দেশটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট ও লজিস্টিক হাবে পরিণত হতে পারে। এতে বাণিজ্য বাড়ার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগও বাড়বে। বিমসটেক-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো এই সংযোগ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
কৌশলগত দিক থেকেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে, যেখানে প্রতিটি দেশই নিজের প্রভাব বিস্তার করতে চায়। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন ভারসাম্যপূর্ণ ও বিচক্ষণ কূটনীতি, যাতে কোনো পক্ষের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সংঘাতে না জড়িয়ে নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা করা যায়। অ্যাক্ট ইস্ট নীতি এই ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
তবে এই নীতি বাস্তবায়নের পথে কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জও রয়েছে, যেগুলো যথাযথভাবে মোকাবিলা না করলে এর পূর্ণ সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। প্রথমত, বাংলাদেশের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এখনো একটি বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে। বন্দর ব্যবস্থার সক্ষমতা অনেক ক্ষেত্রেই আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় পিছিয়ে আছে, ফলে রপ্তানি ও আমদানি প্রক্রিয়ায় সময় ও খরচ দুটোই বেড়ে যায়। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের ওপর অতিরিক্ত চাপ, কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে ধীরগতি এবং আধুনিক লজিস্টিক সুবিধার ঘাটতি- এসব কারণে বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং আন্তঃদেশীয় সংযোগ প্রকল্পগুলোর ধীর অগ্রগতি পণ্যের পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে তুলছে, যা সরাসরি রপ্তানিকারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
দ্বিতীয়ত, আমাদের লজিস্টিক খরচ এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি, যা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় একটি বড় দুর্বলতা হিসেবে কাজ করে। উৎপাদন থেকে শুরু করে রপ্তানি পর্যন্ত পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় অদক্ষতা থাকায় পণ্যের চূড়ান্ত মূল্য বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশি পণ্য কম প্রতিযোগিতামূলক হয়ে পড়ে।
তৃতীয়ত, বাণিজ্য সহজীকরণে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এখনো একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। বিভিন্ন অনুমোদন প্রক্রিয়া, নীতিগত জটিলতা এবং প্রশাসনিক ধীরগতির কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সময়ক্ষেপণ হয়, যা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য নেতিবাচক বার্তা দেয়। এই অবস্থার পরিবর্তন না হলে আঞ্চলিক বাণিজ্যে দ্রুত প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এছাড়া, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আধুনিক উৎপাদন, প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা খাতে কাজ করার জন্য যে ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন, তা এখনও পর্যাপ্ত নয়। বিশেষ করে উচ্চ প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক খাতে দক্ষ জনবল তৈরির ঘাটতি বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে সীমিত করে রাখছে। তাই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও বাজারমুখী ও বাস্তবভিত্তিক করা জরুরি।
এই পুরো প্রক্রিয়ায় বেসরকারি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, যেমন উৎপাদন, রপ্তানি, বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বড় অংশই বেসরকারি উদ্যোক্তারা পরিচালনা করেন। তাই নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় তাদের আরও বেশি অন্তর্ভুক্ত করা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো গেলে অবকাঠামো ও শিল্প উন্নয়ন দ্রুততর হতে পারে।
শুধু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই নয়, ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ কৌশলকে সফল করতে হলে সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সম্পর্কও সমানভাবে শক্তিশালী করতে হবে। কারণ দীর্ঘমেয়াদে টেকসই সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার ভিত্তিতে। শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি দুই অঞ্চলের তরুণদের মধ্যে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানকে উৎসাহিত করতে পারে, যা ভবিষ্যতে দক্ষ মানবসম্পদ ও সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করবে।
একইভাবে পর্যটন খাতও সম্পর্ক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। মানুষে-মানুষে যোগাযোগ বাড়লে পারস্পরিক আস্থা ও আগ্রহ বৃদ্ধি পায়, যা কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল করে। পাশাপাশি যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি বিনিময় এবং উদ্ভাবনী সহযোগিতা দুই অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসতে পারে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার, দক্ষ মানবসম্পদ গঠন এবং সাংস্কৃতিক-শিক্ষাগত সহযোগিতাÑ এই সবকিছু একসঙ্গে এগিয়ে না নিলে ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।
সবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ কৌশল বাংলাদেশের জন্য কোনো বিলাসিতা নয়Ñ এটি একটি সময়োপযোগী এবং কৌশলগত প্রয়োজন। বিশ্ব যখন নতুন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে এগোচ্ছে, তখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে গভীর ও বহুমাত্রিক সম্পর্ক গড়ে তোলা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে এই কৌশলই হতে পারে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি।
লেখক: গণমাধ্যমকর্মী।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

