Logo

রাজনীতি

ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সংস্কার করতে চায় না: আখতার

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ১৮:১৪

ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সংস্কার করতে চায় না: আখতার

ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার আর সংস্কার করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। তিনি বলেন, ‘ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার আর সংস্কার করতে চায় না; তারা ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশভাবে উপভোগ করতে চায়।’

রোববার সকালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজিত জ্বালানি, অর্থনীতি সংস্কার ও গণভোট বিষয়ে জাতীয় কনভেনশনে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি আরও বলেন, ‘গণভোট হয়ে যাওয়ার পরে বিএনপি কোন বিষয়ে রাজি বা কোন বিষয়ে নারাজি, দ্বিরাজি- সেটা মুখ্য বিষয় হতে পারে না। বাস্তবতা হলো, ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার আর সংস্কার করতে চায় না; তারা ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশভাবে উপভোগ করতে চায়। কিন্তু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বের উপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়, সেটাকে ক্ষমতার দৃষ্টিতে দেখার যে মানসিকতা, সেখান থেকে তারা এখনো বের হয়ে আসতে পারেন নাই।’

বিএনপি সরকারের উদ্দেশ্যে আখতার হোসেন বলেন, ‘আমরা বিএনপির সাথে এই ডিবেটটাও করতে চাই আবারও যে, উচ্চকক্ষ যদি ভোটের পিয়ার অনুযায়ী হয়, সেটাতেই কি আপনাদের আপত্তি? তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি নতুন একটা ফর্মুলায় হয়, আপনাদের আপত্তি কি সেই জায়গায়?’ 

সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘এখানে আপনাদের আপত্তি কোথায়? তাহলে কি সংস্কারগুলো বিএনপি দেশের জন্য নেতিবাচক মনে করে? আমরা যে সাংবিধান বিষয়ে সংস্কারের কথা বলেছি, সেগুলো বেসিক স্ট্রাকচারকে লঙ্ঘন করে। তখনই প্রশ্ন এসেছিল, কেবল সংশোধন করে কী বিষয়টাকে টেকসই করা সম্ভব? তখন সংসদের মাধ্যমে সংশোধনী আর গণপরিষদের মাধ্যমে নতুন সংবিধানের মাঝামাঝি একটা আইডিয়ার বিষয়ে আমরা একমত হই, সেটাই ছিল সংবিধান সংস্কার পরিষদ। কিন্তু বিএনপি এখন সেটা থেকে দূরে সরে এসেছে।’

এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, ‘সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো একটা নিরপেক্ষ বডির মধ্য দিয়ে নিয়োগ হবে- আপনাদের আপত্তি কি সেই জায়গায়? সেটা খোলাসা হওয়া প্রয়োজন। সংস্কারের বিষয়গুলোকে কি তাহলে বিএনপি দেশ এবং জাতির জন্য নেতিবাচক মনে করে?’

বিএনপিকে আখতার হোসেন বলেন, ‘ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনের সময়টাতে আপনারা গণভোটে “হ্যাঁ” এর কথা বলেছিলেন, কারণ আপনারা জানতেন যে তখন গণভোটে যদি আপনারা “না”-এর পক্ষে অবস্থান নিতেন, জনগণ আপনাদের বিপক্ষে চলে যেত। সে জনগণ তো ভোটের পরে নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে, ব্যাপারটা এমন না। শুধুমাত্র নির্বাচনের মধ্য দিয়েই বা পাঁচ বছর অপেক্ষা করেই তারপরেই অনেক কিছু হবে, বিষয়টা তো এমনও না। বাংলাদেশের জনগণ এই জিনিসগুলো দেখভাল করছে, তারা খেয়াল রাখছে।’


বাংলাদেশের খবর/এইচআর

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন