টেনিস তারকা মার্কেতা ভোন্দ্রোসোভা
২০২৩ সালের উইম্বলডন জয়ী চেক টেনিস তারকা মার্কেতা ভোন্দ্রোসোভা ডোপিং টেস্টে অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগে বড় ধরণের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন। গত ডিসেম্বরে ডোপিং নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা তার বাড়িতে গেলে তিনি তাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেননি, যার ফলে ইন্টারন্যাশনাল টেনিস ইন্টিগ্রিটি এজেন্সি তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২৬ বছর বয়সী এই তারকার ওপর সর্বোচ্চ চার বছরের নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে।
তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ভোন্দ্রোসোভা সেই রাতের ঘটনার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।
তিনি জানান, দীর্ঘদিনের ইনজুরি, খেলার প্রচণ্ড চাপ এবং ঘুমের সমস্যার কারণে তিনি সে সময় চরম মানসিক অস্থিরতা ও অবসাদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন যে তিনি ‘অ্যাকিউট স্ট্রেস রিঅ্যাকশন’ এবং ‘জেনারালাইজড অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারে’ ভুগছিলেন।
ভোন্দ্রোসোভা দাবি করেন,
গভীর রাতে পরিচয় সঠিকভাবে নিশ্চিত না করে কেউ দরজার বেল বাজানোয় তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন
এবং নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই দরজা খোলেননি।
এই ভয়ের পেছনে তিনি তার স্বদেশী খেলোয়াড় পেত্রা কেভিতোভার ২০১৬ সালের সেই ভয়াবহ স্মৃতিও মনে করিয়ে দেন, যিনি নিজ বাড়িতে ছুরি হামলার শিকার হয়েছিলেন। ভোন্দ্রোসোভা স্পষ্ট করেছেন যে তিনি কোনো নিয়ম এড়াতে চাননি, বরং সেই মুহূর্তের ভয় তার বিচারবুদ্ধিকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল।
বর্তমানে কাঁধের চোটের
কারণে কোর্টের বাইরে থাকা এই তারকা জানিয়েছেন, তিনি এখন নিজেকে মানসিকভাবে সারিয়ে তুলতে
এবং নিজের নাম কলঙ্কমুক্ত করতে মনোযোগ দিচ্ছেন। এদিকে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে
বলে নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশের খবর/এম.আর

