গাজায় যুদ্ধবিরতি
প্রথম পর্যায় শেষপ্রায়, দ্বিতীয় পর্যায়ের শর্তে অনিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:১৫

ছবি : সংগৃহীত
গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায় শেষের দিকে পৌঁছেছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী দুই-তিনদিনের মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে। তবে, ইসরায়েল এই পর্বে প্রবেশের জন্য চারটি শর্ত রেখেছে, যা পূর্ণ না হলে চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের শুরুর ব্যাপারটি পুরোপুরি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি টিভি চ্যানেল কান-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এলি কোহেন জানান, দ্বিতীয় পর্যায়ে যাওয়ার জন্য ইসরায়েল যে চারটি শর্ত রেখেছে তা হলো—
১. ৭ অক্টোবর এবং তার আগে যেসব ইসরায়েলি গাজায় বন্দি ছিল, তাদের সবাইকে মুক্তি দিতে হবে।
২. গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসকে গাজা থেকে বিদায় নিতে হবে।
৩. গাজাকে সম্পূর্ণ অস্ত্রমুক্ত করতে হবে।
৪. গাজার পুরো এলাকা ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
২০২৪ সালের ২৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গাজায় সংঘাত থামাতে তিন স্তরের যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রস্তাব করেন, যার বাস্তবায়ন শুরু হয় চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি থেকে।
প্রথম পর্যায়ে ৬ সপ্তাহ ধরে হামাস ৩৩ জন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, যাদের মধ্যে নারী ও বয়স্কদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বিনিময়ে ইসরায়েল গাজার জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে এবং শতাধিক বন্দি ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে।
আর দ্বিতীয় পর্যায়ে সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে এবং হামাস বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেবে। এ সময় ইসরায়েল ১ হাজার ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়ে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে।
সবশেষ, তৃতীয় পর্যায়ে গাজার পুনর্গঠন শুরু হবে। তবে, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় পর্যায় শুরু না হওয়া পর্যন্ত প্রথম পর্যায় কার্যকর থাকবে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
এটিআর/