-679e457db19a1.jpg)
বয়স বাড়লে স্মৃতিশক্তি বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। বাজার করতে প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে আনতে ভুলে যাওয়া, আলমারির চাবি হারিয়ে ফেলা, এমন হামেশাই হয়। কিন্তু কমবয়সেও এমন স্মৃতিভ্রংশের সমস্যা হতে পারে।
সঙ্গীর সঙ্গে দেখা করার কথা বেমালুম ভুলে বিপাকে পড়েন অনেকেই। আবার সবচেয়ে দরকারি ফাইলটি না নিয়ে অফিসে চলে এসে মুশকিলে পড়তে হয়েছে অনেককেই। জীবনে চলার পথে স্মৃতিশক্তি সঙ্গ না দিলে, পিছিয়ে পড়তে হয়। খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, অত্যধিক কাজের চাপ, যন্ত্রনির্ভরতায় অনেক সময় এমন হয়। তবে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে কিছু খাবার বেশি করে খাওয়াতে হবে।
বীজ ও বাদাম
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ই-র ভূমিকা অনবদ্য। বাদাম ও নানা ধরনের বীজে ভিটামিন ই ভরপুর পরিমাণে রয়েছে। স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে নিয়ম করে ড্রাই ফ্রুটস খেতে পারলে ভালো। আখরোট, কাজু, পেস্তা, চিনা বাদাম, কুমড়োর বীজ স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে তোলে।
রঙিন সবজি
স্নায়ুর কার্যকারিতা সক্রিয় রাখে ক্যারোটিনয়েড। এই উপাদানটি রয়েছে রাঙা আলু, কুমড়ো, গাজরে। শুধু স্মৃতি নয়, দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতেও এই উপাদান অত্যন্ত উপযোগী। তা ছাড়া, রঙিন সব্জিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে, যা মস্তিষ্কের কোষের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
ওটস
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা ছাড়াও ওটস মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। স্নায়ু সক্রিয় রাখে। শরীরে উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে ওটস। বিশেষ করে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশেও সাহায্য করে ওটস।
এমজে