
কুষ্টিয়ার সমন্বয়ক পরিচয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসানকে সাত দিনের মধ্যে বান্দরবান অথবা খাগড়াছড়ি বদলির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় থানার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানায় থানা কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, জমিসংক্রান্ত বিষয়ে সংঘর্ষের ঘটনার সমাধান করতে থানায় আসেন ইবি থানাধীন সুগ্রীবপুর গ্রামের স্থানীয় এলাকাবাসী। বিষয়টি সমাধানের জন্য সবাই ঐক্যমত পোষণ করলে বৈঠক শেষ হয়। মীমাংসার পরেও ওসির রুমে এতো লোকজন কেনো— প্রশ্ন তুলে সমন্বয়ক সাব্বির হট্টগোল শুরু করেন বলে জানায় থানা কর্তৃপক্ষ।
এলাকাবাসী চলে যাওয়ার পর উপস্থিত কুষ্টিয়া আঞ্চলিক এক সাংবাদিককে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন সমন্বয়ক সাব্বির। পরে সাব্বির এসপি ও ডিআইজিকে মুঠোফোনে কল করে বিষয়টি জানিয়ে ওসিকে বদলির ব্যবস্থা করার হুমকি দেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সাংবাদিক বলেন, ‘আমি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও হট্টগোল দেখে ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। আমি কথা বাড়ালে আমাকে হেনস্তা করে।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাব্বির বলেন, ‘জমিসংক্রান্ত বিষয় মীমাংসার জন্য আমি থানায় গিয়েছিলাম। কিন্তু ওসিকে বদলি করবো এমন কিছু আমি বলিনি।’
এ বিষয়ে ইবি থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান বলেন, ‘ইবি থানাধীন সুগ্রীবপুর জমিসংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে থানায় মিমাংসা হয়। মীমাংসার পরে এলাকার সুধীজনরা আমার সাথে দেখা করতে এলে সমন্বয়ক পরিচয়দাতা সাব্বির বাইরে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন বলে অফিসার ও এলাকাবাসী আমাকে জানান। বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। একজন শিক্ষার্থী বা সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে এমন ব্যবহার আমরা প্রত্যাশা করি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাব্বির মাঝেমধ্যেই থানার অফিসারদের হুমকি-ধামকি দেন। সমন্বয়ক পরিচয়ে পুলিশ অফিসারদের মাঝেমধ্যেই খাগড়াছড়ি, বান্দরবান বদলির হুমকি দেন।’