Logo

সারাদেশ

‘মামলা বাণিজ্যের হোতা’ সিকদার লিটন কারাগারে

Icon

বাংলাদেশের প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৫, ১৬:৫২

‘মামলা বাণিজ্যের হোতা’ সিকদার লিটন কারাগারে

প্রতারণা ও মামলা বাণিজ্যের হোতা হিসেবে অভিযুক্ত এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলার আসামি সিকদার লিটনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে আলফাডাঙ্গা থানার একটি মামলায় পুলিশ তাকে আদালতে তোলে। ফরিদপুর ৯ নম্বর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন সুলতানা সুমি আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের জিআর শাখা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার পল্লবী ও কলাবাগান থানায় সিকদার লিটনের বিরুদ্ধে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। এ ছাড়া আলফাডাঙ্গা থানায় নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলার আসামি তিনি। আদালত লিটনকে সি ডাব্লিউ মূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে বুধবার দুপুরে ফরিদপুর শহর থেকে সিকদার লিটনকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে আলফাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, সিকদার লিটনের বিরুদ্ধে ১৩টির বেশি মামলা রয়েছে। পুলিশ তাকে আদালতে পাঠালে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। আলফাডাঙ্গা থানায় থাকা বিস্ফোরক ও নাশকতার মামলায় লিটনকে জিজ্ঞাসাবাদে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে সিকদার লিটনকে গ্রেপ্তারের খবরে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে এই ‘প্রতারক’র দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিও করেছেন তারা।

২০২০ সালে অক্টোবরে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন সিকদার লিটন। এরপর প্রায় চার বছর কারাগারে ছিলেন। এর আগেও বিভিন্ন মামলায় কারাবন্দি ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে অবিযোগ- আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত লিটন কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে শুরু করেছিলেন মামলা বাণিজ্য। সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, স্বনামধন্য ব্যক্তিকে মামলার ভয় দেখিয়ে নিয়েছেন মোটা অঙ্কের অর্থ। 

সর্বশেষ তিন মাসে তার বিকাশ অ্যাকাউন্টে সাড়ে ২২ লাখ টাকা লেনদেনের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। যার বেশির ভাগ অর্থই মামলার ভয় দেখি উপার্জন করা বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে লিটনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ভাটারা থানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হওয়া হত্যা মামলা আছে। এ ছাড়া মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা রয়েছে।

ডিআর/বিএইচ

 

 

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর