-67d583a369c76.jpg)
প্রতীকী ছবি
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এবার মায়ের সহায়তায় ১২ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শনিবার (১৫ মার্চ) বিকেলে ভুক্তভোগীর বাবা থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরীর বাবা পেশায় একজন ভাংড়ী ব্যবসায়ী। ব্যবসার কারণে তিনি বাড়িতে থাকতে পারেন না। এই সুযোগে স্ত্রী ফরিদা পারভীন তার ১২ বছর বয়সী কন্যাকে ভগবাননগর গ্রামের রবির ছেলে শরিফুল ইসলাম শরীফ ও কৃষ্ণ কুমার মণ্ডলের ছেলে সন্ন্যাসী মণ্ডলের কাছে ইচ্ছার বিরুদ্ধে পাঠিয়ে দিতেন।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, গত ৭ মার্চ ভগবাননগর গ্রামের জনৈক জোছনার মালিকানাধীন ভাড়া বাড়িতে শরীফ এসে তার স্ত্রীকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকা কন্যাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে পাশবিক নির্যাতন চালান। এ ছাড়া একইভাবে গত ৮ মার্চ রাত ৯টার দিকে সন্ন্যাসী কুমার পার্শ্ববর্তী কুলচারা গ্রামের জনৈক তোজামের মালিকানাধীন ভাড়া বাড়িতে নিয়ে তার কন্যাকে দ্বিতীয়বার ধর্ষণ করেন।
বাদি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, এ ঘটনা কেউ যাতে দেখতে না পায় সে জন্য তার স্ত্রী ফরিদা পারভীন ঘরের বাইরে থেকে পাহারা দিতেন। গত ১২ মার্চ তার মেয়ে ধর্ষণের এসব ঘটনা তাকে জানালে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া ও কথা-কাটাকাটি হয়। ঝগড়াঝাটির একপর্যায়ে স্ত্রী রাগ করে অজ্ঞাত স্থানে চলে যান। বর্তমানে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে ফুলহরি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন বলেন, লোকমুখে ঘটনাটি শুনেছি। কিন্তু সঠিক কিনা জানি না। তিনি দাবি করেন অভিযুক্ত শরীফ একসময় আমার সামাজিক দল করতো এবং আমার বডিগার্ড ছিল। ৫ আগস্ট পর্যন্ত শরিফ আওয়ামী লীগ করেছে। শুনছি এখন সে বিএনপির জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল করছে।
শৈলকুপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অমিত বর্মন জানান, এমন একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা তদন্তে থানার সেকেন্ড অফিসারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান জানান, বিষয়টি একটু জটিল মনে হচ্ছে। তারপরও আমরা অভিযোগ গ্রহণ করেছি। তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুরহান/বিএইচ