ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাসের জন্য হাহাকার আয় কমছে চালকদের
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ২০:৫৩
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের সংকট ও চাপ কম থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে যানবাহন চালকদের। দিনে এবং রাতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কাঙ্খিত গ্যাস না পেয়ে বাড়ছে হাহাকার।এছাড়া চালকদের ভোগান্তি বাড়ার পাশাপাশি আয়ও অনেকটা কমে যাচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাঁচটি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ করে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। সবকটি ফিলিং স্টেশনগুলোর জন্য প্রতিদিন বরাদ্দ রয়েছে ৫০ হাজার ঘনমিটার গ্যাস। যদিও গ্যাসের চাহিদা রয়েছে আরও বেশি।
মূলত ১২-১৫ পিএসআই চাপে গ্যাস প্রয়োজন হলেও ফিলিং স্টেশনগুলো ২-৪ পিএসআই চাপে গ্যাস পাচ্ছে৷ এর ফলে কাঙ্খিত পরিমাণে গ্যাস নিতে পারছে না যানবাহনগুলো। এছাড়া চাপ কমে যাওয়ার কারণে দিনে কয়েকবার করে মেশিন বন্ধ রাখতে হচ্ছে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষকে। এতে করে গ্যাসের জন্য হাহাকার বাড়ছে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে ভোগান্তি বাড়ছে যানবাহন চালকদের।
চালকরা জানান, রাতে এবং ভোরে গ্যাস পেলেও দিনের বেশিরভাগ সময় গ্যাসের চাপ থাকে না। ভোররাত থেকে গ্যাসের জন্য লাইন ধরতে হয়। দিনের অর্ধেক সময় চলে যায় গ্যাসের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে। যেটুক গ্যাস পাওয়া যায়- তাতে দুইটার বেশি ট্রিপ দেয়া যায়না। গত এক সপ্তাহ ধরে এভাবেই চলছে।
সরাইলের ফাহাদ ফিলিং স্টেশনের প্রকৌশলী মারুফ জানান, ঠিকমতো গ্যাস দিতে না পারার কারণে যাবাহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে। গ্যাসের চাপ নেই। ০-২ পিএসআই পর্যন্ত চাপে গ্যস পাওয়া যাচ্ছে। এতো কম চাপে কাঙ্খিত পরিমাণ গ্যাস নিতে পারছে না যানবাহনগুলো।
যদিও বাখরাবদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. শফিকুল হক জানান, ফিলিং স্টেশনগুলোতে চাহিদা থাকলেও বেশি গ্যাস দেয়া যাচ্ছে না। তবে বর্তমান সংকটটি এলএনজি সংকটের কারণে তৈরি হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
বিকে/মান্নান

