Logo

সারাদেশ

বাউফলে মহিষ চরাতে দিতে হয় মহিষপ্রতি ২০০ টাকা চাঁদা

Icon

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৮

বাউফলে মহিষ চরাতে দিতে হয়  মহিষপ্রতি ২০০ টাকা চাঁদা

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লালচর এলাকায় খাস জমিতে মহিষ চরাতে মহিষপ্রতি ২০০ টাকা করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাঈনউদ্দিন (২৭) নামে এক সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় মহিষ পালনকারীদের অভিযোগ, লালচর এলাকার খাস জমিতে মহিষ চরাতে হলে প্রতিটি মহিষের জন্য ২০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। টাকা না দিলে ওই এলাকায় মহিষ চরাতে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।

মহিষ পালনকারী রেজাউল খাঁ বলেছেন, বিগত দিনে লালচরের খাস জমিতে আমরা মহিষ চরাতাম। মাঈনউদ্দিন আমাদের বলেছেন, মহিষপ্রতি ২০০ টাকা না দিলে ঘাস খাওয়াতে দেওয়া হবে না। পরে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে মহিষপ্রতি ২০০ টাকা করে দিয়েছেন। এভাবে ৪৭৮টি মহিষের টাকা নেওয়া হয়েছে।

আরেক মহিষ পালনকারী ইদ্রিস দালাল বলেছেন, চরাঞ্চলের খাস জমিতে ঘাস খাওয়ানোর ওপর নির্ভর করেই অনেকে দীর্ঘদিন ধরে মহিষ পালন করে আসছেন। এভাবে টাকা দিতে হলে তাদের খরচ বেড়ে যায় এবং মহিষ পালন করে লাভ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, লালচর এলাকায় খাস জমিতে মহিষ চরানোকে কেন্দ্র করে টাকা আদায়ের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। খাস জমিতে মহিষ চরানোর জন্য এভাবে টাকা নেওয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে মাঈনউদ্দিন বলেছেন, আমি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলাম। ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যরা এ বিষয়ে সালিশের ব্যবস্থা করছেন। মাছ ধরার চাই ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় জরিমানা হিসেবে টাকা নেওয়া হয়েছে। আমার নিজের মহিষের জন্যও জরিমানা দিয়েছি। তারা বিষয়টি অন্যদিকে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় মোস্তফা ফকির ও জামাল মাঝি সালিশ করছেন। আমার কাছে টাকা রাখতে বলায় আমি টাকা রেখেছি।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিকে/মান্নান

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন