নওগাঁ সদর উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নের চকআবরশ গ্রামে আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও অন্তত ১৫ থেকে ২০টি পরিবারের চলাচলের ৪০ বছরের পুরনো পথ রাতের আঁধারে প্রাচীর তুলে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিপক্ষের মো. ফরিদ সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে বেআইনিভাবে এই ইটের প্রাচীর নির্মাণ করায় ভোগান্তিতে পড়েছে একাধিক অবরুদ্ধ পরিবার। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার এই ঘটনাকে ‘চরম অন্যায় ও অত্যাচার’ বলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চকআবরশ গ্রামের আরএস খতিয়ান নম্বর ৪৯-এর ১২৬, ১২১ ও ১২৭ নম্বর দাগের প্রায় ২০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালতে মামলা চলছে। ভুক্তভোগী মো. বেলাল হোসেন জানান, সম্পত্তি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও বিচারাধীন বিষয়কে তোয়াক্কা না করে মো. ফরিদ গং জোরপূর্বক রাস্তা ও জমি দখলের পাঁয়তারা চালায়।
স্থানীয়দের চরম ক্ষোভের বিষয় হলো, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের একমাত্র পথটিতে রাতের আঁধারে অতর্কিত হামলা চালিয়ে প্রাচীর তুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ চার দশক ধরে যাতায়াত করা একাধিক পরিবারের নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী এটিকে একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন।
ভুক্তভোগী বেলাল হোসেন এ ঘটনায় ভীমপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভীমপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফ জানান, লিখিত অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আদালতের মামলা ও চলাচলের রাস্তা বন্ধের বিষয়ে সত্যতা সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আইনি তোয়াক্কা না করে সাধারণ মানুষের পথ বন্ধের এই অন্যায়ের দ্রুত প্রতিকার না হলে যেকোনো মুহূর্তে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
বিকে/মান্নান

