সদরপুরের সম্পত্তির লোভে দুপুত্র কর্তৃক পিতাকে বেদম প্রহার
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৫
সদরপুরের দড়ি কৃষ্ণপুর সম্পত্তির লোভে পিতা সেক খলিল(৬০) কে বেদম প্রহার ওরস জাত দুপুত্র সেক কাউসারও সেকনিজাম এ ঘটনা ঘটিয়েছে ২ সেপ্টেম্বর দুপুর ২.০০ ঘটিকায় দড়ি কৃষ্ণপুর গ্রামের শেখ চান্দুলার ছেলে শেখ খলিলকে তারইওরস জাত সন্তান সেক কাউসারওসেক নিজাম।
জানাগেছে,সদরপুর উপজেলার দড়ি কৃষ্ণপুর গ্রামের সেক খলিলের তিনটি সন্তান সেক জাহাঙ্গীর, সেক কাউসারওসেক নিজামএকটিকন্য সন্তান। আরওজানা গেছে, সেক খলিলের ছেলেদের বিদেশের গমনের পূর্বেই জমি-জাতা কিনেছিলেন।বিদেশে ছেলেদের থাকা অবস্থায় সেই জমিগুলো বিক্রি করছে নানা পারিপার্শ্বিকতার। ১৪/১৫ বছর পূর্বে খলিলের বড় পুত্র জাহাঙ্গীর ওমানে গিয়ে আরও দুটি ভাই কাউসার ও নিজাম চাকরি করে ওমান প্রবাসে থাকা অবস্থায় ছয়টি গাড়ি কিনে গ্যারেজ খুলে বসে । আদম ব্যবসা শুরু করে।সেই আদম ব্যবসায় খলিলের ছেলেরা ভিসা ব্যবসা লাভের চেয়ে ক্ষতির সম্মুখীন বেশি হয়। এলাকার বিভিন্ন লোকেদের কাছ থেকে ভিযার ব্যবসা করতে গিয়ে সুদি ব্যবসা কবলে পড়ে। অন্যদিকে ছেলেরা গ্যারেজসহ গাড়ি গুলি ওমান মালিকের নামে করায় ওমান মালিক নিয়ে নেয় বিনা অর্থে।
দড়ি কৃষ্ণপুরের নিরু পিতা শেখ সোনা কাছ সেক খলিলের ছেলে জাহাঙ্গীর আকামা করার জন্য দেড় লক্ষ টাকা নেয়। এর ক্ষতিপূরণ হিসেবে শেখ নীরুকে আড়াই লক্ষ টাকা দেন। ওমানে ছয়টি গাড়িসহ বিপুল পরিমাণ গ্যারেজের জাহাঙ্গীরের ওমান মালিক রেখে দেয়। প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষতি সম্মুখীন হয়। গোপালপুরের ওয়াহেদ মোল্লার ছেলে বাবুলের কাছে সুদি ব্যবসায় ৫-৬ লক্ষ টাকা নেন। সেটা পরিশোধ করতে সেক খলিল ৬ লক্ষ টাকা করে বিঘা দেড় বিঘা জমি ৯ লক্ষ টাকা করে দেনা পরিশোধ করে ।৮ কাঠা সুদের টাকার জন্য বাবুল মোল্লা রেজিস্ট্রি করে নেন। বাকি ২২ কাঠা বাবুল মোল্লার মাধ্যমে রেখা বেগম স্বামী সিদ্দীক নগদ টাকা মূল্যে রেজিস্ট্রি মুলে কিনে নেন সেক খলিলের কাজ থেকে। সেটা কে শেখ খলিলের ছেলেরা সেক সিদ্দিকের স্ত্রী রেখা আক্তারের সাথে পরকিয়া অভিযোগ করে হেনস্থা করছে পিতাকে । এ ব্যাপার রেখা আক্তার অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন আমার ছেলে মেয়ে সন্তান আছে।
শেখ খলিলের ছেলেরা বিয়ে-শাদী করে সংসার করছে। বিদেশে ইনকামের জোৎসামান্য টাকা দিচ্ছে না।যা দিচ্ছে তা খলিলের স্ত্রীর হাতে। খলিলের ঘাড়ে এখনো ১০লক্ষার ধিক টাকার দেনা বয়ে চলছে।
শেখ খলিল স্ত্রী নিয়েও সংসার জীবনেওসুখে ছিলনা সংসার জীবনে উশৃংখল স্ত্রী ও ছেলেরা বেপরোয়া চলাফেরা করেছে। শেখখলিলের স্ত্রীপরিবারে ওএলাকাবাসীর সাথে সর্বদা দুর্ব্যবহার করত।
সেকখলিলের ছেলেরা সেকখলিলে কে প্রহার করেই শেষ নেই। সেকখলিলে ছেলে কাউসার সদরপুর থানায় উল্টো মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। এ ব্যাপারে সেক খলিল সদর পুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে শেখ খলিল জানান, ছেলেদের সাথে কোন ঝগড়া-বিবাদ ছাড়াই ২রা সেপ্টেম্বর দুপুরে নিজ বাড়িতে ভাতের থাল সামনে রেখে দুই ছেলে দুই হাত ধরে গলাচিপে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে।আমার বড় ছেলে জাহাঙ্গীরের শাশুড়ি হাজিগঞ্জের তার বাড়ি দরিকৃষ্ণ পুর আমার বাড়িতে বেড়াতে আসে তিনিই হত্যার চেষ্টা ফেরার চেষ্টা করেওসময়ওমান প্রবাসী ছোট ভাই ভিডিও কলে দেখে তিনি হাটখোলার ফজল বেপারীর ছেলে ইয়াকুব কে ফোন করে ভাইকে বাঁচানোর জন্য খলিলের বাড়িতে পাঠায় । সর্বদাই নিরাপত্তাহীন ভুগছি।
সেক কাউসারওসেক নিজাম সর্বদা ঘুরে বেড়াচ্ছে আমার নামীয়কে জমি ছেলেদে লিখে নিতে। স্বাভাবিক ভাবে না লিখে দিলে হত্যা উদ্দেশ্যর চেষ্টা রয়েছে।
এ ব্যাপারে শেখ খলিলের ছেলে সেক কাউসার ও নিজাম এ প্রতিবেদকে সঠিক সমাধান দেওয়ার অনুরোধ করে হাটখোলা চরঅযোযুদ্ধা হাটখোলা নিশাত মাস্টারের ওষুধের দোকানে ।এ সময় সেক খলিলের ছেলে সেক কাউসারও শেখ নিজামকে এ প্রতিবেদক বলেন তোমার চাচারা কেন তোমাদের সাথে নাই এর কোন উত্তর দিতে পারিনি। তাছাড়া অপরদিকে শেখ নিজামের মামা শশুর নতুন বাজারের সেক তোতার ছেলে আজাহারএ প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে হুমকি প্রদান করেন।
হুমকির প্রদান বিষয়টি সদরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ কেওঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গার সার্কেল) রেজুয়ানদিপুকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিকে/মান্নান

