
ছবি : বাংলাদেশের খবর
মুলাচাষিদের বোবাকান্নায় ভারী হচ্ছে চন্দনাইশ উপজেলার শঙ্খচরের মাঠ-ঘাট। ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে মুলা চাষে ক্ষতির মুখে পড়েছেন এই এলাকার কৃষকরা।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২ থেকে ৩ টাকায়, যা তাদের উৎপাদন খরচের তুলনায় খুবই কম। এমন পরিস্থিতিতে হাজার হাজার কৃষক তাদের ক্ষেত থেকে মুলা তুলে ফেলে দিতে বাধ্য হচ্ছেন, কারণ খরচের তুলনায় তারা কোনো লাভ পাচ্ছেন না।
কৃষকরা জানান, বর্তমানে ক্ষেত থেকে মুলা তুলে ধুয়ে-পরিষ্কার করে বাজারে নিয়ে যাওয়ার পরিবহন খরচ, কুলি খরচ মিলে প্রতি কেজিতে ৭ থেকে ৮ টাকা খরচ পড়ছে। বিপরীতে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২ থেকে ৩ টাকা। বিগত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে এমন পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটছে তাদের। তাই বাধ্য হয়ে কৃষকরা মুলা তুলে নদীতে ভাসিয়ে দিচ্ছেন। এতে লাখ লাখ টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে।
বিশেষ করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ ও খাজনায় জমি নিয়ে চাষ করা কৃষকদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কৃষকরা।
উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সৈকত বড়ুয়া জানান, উৎপাদিত সবজির সঙ্গে উত্তরবঙ্গের সবজি একইসঙ্গে বাজারে আসায় বর্তমানে সবজির দাম কমে গেছে। যে সকল কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তাদের তালিকা প্রস্তুত করার কাজ চলছে।
কৃষি কর্মকর্তা আজাদ হোসেন বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। সেইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের সবজি একই সময়ে বাজারে আসায় সবজিতে বাজার সয়লাব হয়েছে। ফলে দাম একটু কমেছে।
এটিআর/