
ছবি : বাংলাদেশের খবর
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে আলু। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বন্দরটি দিয়ে থিংকস টু সাপ্লাই নামের একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ১৬টি পণ্যবাহী ট্রাকে ৩৩৬ মেট্রিক টন আলু নেপালে রপ্তানি করেছে।
স্থলবন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্টের প্রতিনিধি মোমিন বলেন, ‘আমরা আজকে থিংকস টু সাপ্লাই নামের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩৩৬ মেট্রিক টন আলু নেপালে পাঠিয়েছি। আলুগুলো রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকার। আমরা এর আগেও বেশ কয়েকবার নেপালে আলু রপ্তানি করেছি।’
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের কোয়ারিনটিন ইন্সপেক্টর উজ্জ্বল হোসেন বলেন, ‘বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ১৬টি ট্রাকে মোট ৩৩৬ মেট্রিক টন আলু নেপালে গেছে। এগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে। থিংকস টু সাপ্লাই ও লোড বাউন্ড লজিস্টিকস সহ কয়েকটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ফ্রেশ আলু রপ্তানি করছে।’
স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে ট্রানজিট সুবিধা থাকায় ব্যবসা ও পর্যটনে ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি করেছে স্থলবন্দরটি। স্থলবন্দরটিতে ৯৫ শতাংশই পাথর নির্ভর হলেও বাংলাদেশ থেকে বেশ কয়েকটি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ভারত ও নেপালে।
বন্দরটি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারত ও নেপালে পাট, ওষুধ, প্রাণ ও ওয়ালটনের পণ্য, জুস, মোটরসাইকেল, ব্যাটারিসহ নানা ধরনের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। অপরদিকে মসুর ডাল, গম, ভুট্টা, চিরতা, হাজমলা, যন্ত্রপাতি, প্লাস্টিক দানা, রেললাইনের স্লিপার, খইল, আদা ও চিটাগুড় আমদানি করা হয়।
এসকে দোয়েল/এমআই