Logo

অর্থনীতি

বাংলাদেশে প্রথম সেলফ ম্যাট্রিমনি সাইট নোঘটক

Icon

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:১৮

বাংলাদেশে প্রথম সেলফ ম্যাট্রিমনি সাইট নোঘটক

ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী খুঁজতে গিয়ে বাংলাদেশে এখনো বেশিরভাগ পরিবার ভরসা রাখে পরিচিত ঘটক বা ম্যারেজ মিডিয়ার ওপর। 

প্রক্রিয়াটা চেনা হলেও এর মধ্যে কিছু চিরচেনা অস্বস্তি থেকেই যায়, বায়োডাটা-ছবি কতজনের হাতে ঘুরছে তার হিসাব থাকে না, ফোন নম্বর অনুমতি ছাড়াই এদিক-ওদিক চলে যায়, আর পুরো প্রক্রিয়ার গতি নির্ভর করে মাঝে থাকা মানুষটার ওপর। 

ঠিক এই জায়গা থেকেই আলাদা পথ দেখাচ্ছে নোঘটক, যেটা নিজেদের পরিচয় দিচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম সেলফ ম্যাট্রিমনি সাইট হিসেবে।

সেলফ ম্যাট্রিমনি মানে আসলে কী: সেলফ ম্যাট্রিমনি ধারণাটা বেশ সহজ, এখানে কোনো তৃতীয় পক্ষ মাঝে বসে পাত্র-পাত্রী বেছে দেয় না, বরং প্ল্যাটফর্মটা শুধু নিরাপদে যোগাযোগ করার একটা মাধ্যম তৈরি করে দেয়। ব্যবহারকারী নিজেই বায়োডাটা দেখে সিদ্ধান্ত নেন কার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, আর পুরো প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ থাকে নিজের হাতেই। ঘটকের অভিজ্ঞতা বা সংযোগের ওপর নির্ভর করার বদলে, এখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতাটাই মূল বিষয়।

প্রাইভেসিকে কেন্দ্র করে সাজানো প্ল্যাটফর্ম: নোঘটকের সবচেয়ে লক্ষণীয় দিক হলো তাদের প্রাইভেসি-ফার্স্ট পদ্ধতি। ফোন নম্বর তখনই অন্য পক্ষকে দেখানো হয় যখন ব্যবহারকারী নিজে সেই অনুরোধ অনুমোদন করেন। এটি প্রচলিত অনেক ম্যাট্রিমনি সাইটের চেয়ে আলাদা, যেখানে যোগাযোগের তথ্য প্রায়ই সম্মতি ছাড়াই ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বায়োডাটা তৈরির প্রক্রিয়াও রাখা হয়েছে সহজ, শুধু মোবাইল নম্বর দিয়েই একটা প্রোফাইল তৈরি করা যায়।

বিনামূল্যে সেবার পাশাপাশি দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করতে চাইলে পেইড অপশনও রয়েছে, আর কোনো কারণে প্রক্রিয়া ব্যর্থ হলে টাকা ফেরতের নিশ্চয়তাও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। পুরো প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করা যায় নোঘটক-এর ওয়েবসাইটে।

এদিদেক এমন ওয়েবসাইটে ঘটক প্রথা হঠাৎ করে বিলুপ্ত হয়ে যাবে, এমনটি নয়। যারা পরিবারের মধ্যস্থতা ও পরিচিত ঘটকের অভিজ্ঞতায় ভরসা রাখেন, তাদের জন্য চেনা পদ্ধতিই স্বস্তিদায়ক থেকে যাবে। তবে যারা নিজের সিদ্ধান্তে বেশি নিয়ন্ত্রণ রাখতে চান এবং প্রাইভেসি নিয়ে সচেতন, তাদের জন্য নোঘটকের মতো একটা বিকল্প এখন হাতের নাগালে চলে এসেছে।

বাংলাদেশের খবর/আরইউ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন