Logo

বিনোদন

স্বজনপ্রীতি শব্দটার মানেই বুঝতাম না: প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৫৩

স্বজনপ্রীতি শব্দটার মানেই বুঝতাম না: প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

ছবি: সংগৃহীত

বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ভারতীয় সিনেমায় তুমুল জনপ্রিয়তার পর হলিউডেও বেশ খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। কেরিয়ারের শুরুতে কোনো ধরনের স্বজনপোষণ ছাড়াই নিজ দক্ষতায় বলিউডে শক্ত জায়গা তৈরি করেছেন এ অভিনেত্রী। যদিও সেক্ষেত্রে নাকি নানা ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হতে হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। 

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা কথা বলেছেন বলিউডের পর্দার আড়ালের ‘রাজনীতি’ এবং তাকে নিয়ে হওয়া নানা ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে।

প্রিয়াঙ্কা জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বলিউডের রাজনীতির মারপ্যাঁচে পড়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। 

তিনি বলেন, আমি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন আসি, তখন ‘নেপোটিজম’ বা স্বজনপ্রীতি শব্দটার মানেই বুঝতাম না। ভাবতাম, আমার বাবা-মা যেমন চাইতেন আমি সফল হই, তেমনি বড় তারকাও তার ছেলেমেয়ের সাফল্য চাইবেন এটাই স্বাভাবিক কিন্তু পরে আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম।

প্রিয়াঙ্কা জানান, যখন ‘সালাম-এ-ইশ্‌ক’ ছবির শুটিং করছিলেন, তখন একটি বড় হিন্দি সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পান এবং চুক্তিতে সইও করেন। কিন্তু অদ্ভুতভাবে তাকে সেখান থেকে বাদ দেওয়া হয়। 

অভিনেত্রীর দাবি করেন, তার সেই সিনেমার সহ-অভিনেতা সেটে এসে সরাসরি জানান, তাকে আর এ সিনেমায় রাখা হচ্ছে না। চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরও এমন অপমানে রীতিমতো বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এমনকি ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে প্রিয়াঙ্কাকে জানানো হয়েছিল যে একটি সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের কথা থাকলেও তাকে সরিয়ে অন্য কাউকে নেওয়া হয়েছে। 

সেই সিনেমাতে দুজন অভিনেত্রী থাকার কথা থাকলেও কৌশলে প্রিয়াঙ্কাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। 

বলিউডে পা রাখার পর থেকে একের পর এক প্রত্যাখ্যান পেতে পেতে এমন অবস্থা হয়েছিল যে প্রিয়াঙ্কা একসময় অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অন্য কোনো পেশায় যাওয়ার চিন্তা-ভাবনাও শুরু করেছিলেন তিনি। 

তবে শেষ পর্যন্ত তাই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়েছিলেন। আজ তাই শুধু বলিউডেই নয় হলিউডেও কাজ করছেন নিয়মিত। দেশি গার্ল আজ গ্লোবাল স্টারে পরিণত হয়েছে। 

বাংলাদেশের খবর/আরইউ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন