
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন একটি নতুন স্নাইপার রাইফেলের পরীক্ষা চালিয়েছেন। শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এ তথ্য জানায়।
কেসিএনএ জানায়, শুক্রবার কিম জং উন একটি বিশেষ বাহিনী পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, বিজয় নিশ্চিত করার জন্য বাস্তবে শক্তিশালী ক্ষমতা থাকতে হবে।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার গুপ্তচর সংস্থা জানিয়েছে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার পক্ষে যেসব সেনা পাঠিয়েছেন কিম জং উন, ওই ইউনিটও সেসবের একটি।
শুক্রবার বিশেষ অপারেশন ইউনিট পরিদর্শনের সময় কিম বলেন, যুদ্ধের মাঠে বিজয় নিশ্চিত করার জন্য কঠোর প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এই ইউনিটের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেশপ্রেম ও আনুগত্যের সবচেয়ে বড় বহিঃপ্রকাশ।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত ছবিতে কিমকে স্নাইপার রাইফেল পরীক্ষা করতে দেখা যায়। এসব স্নাইপার বিশেষ অপারেশন ইউনিটগুলোতে নতুন করে সরবরাহ করা হবে বলে জানানো হয়।
কিম অটোমেটিক রাইফেল ফায়ারিং ড্রিল ও স্নাইপার রাইফেল ফায়ারিং ড্রিল দেখেছেন। তিনি নিজে এর পরীক্ষা করেন। নিজস্ব পদ্ধতিতে তৈরি এই স্নাইপার রাইফেলের কর্মক্ষমতা ও শক্তি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন কিম।
কিম যখন এই বিশেষ বাহিনী পরিদর্শন করছিলেন, তখন দক্ষিণ কোরিয়ার সংবিধানিক আদালত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলের অভিশংসনকে সমর্থন জানিয়ে তাকে বরখাস্ত করেন। এ সময় আদালত নতুন নির্বাচনের জন্য আহ্বান জানান।
ইউন ৩ ডিসেম্বর সামরিক আইন ঘোষণা করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি ও উত্তর কোরিয়া থেকে সম্ভাব্য হুমকি রোধ করতে এই সামরিক আইন প্রয়োজন ছিল।
বিদেশি গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএ প্রথমবারের মতো ইউনের বরখাস্তের খবর প্রকাশ করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার বিরোধী নেতা লি জাই-মিয়ংকে পরবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন তার দল উত্তর কোরিয়ার প্রতি একটি অধিক সমঝোতাপূর্ণ মনোভাব গ্রহণ করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথমবার দায়িত্ব পালনের সময় কিমের সঙ্গে তিনবার সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি এ সপ্তাহে বলেছেন যে তিনি কিমের সঙ্গে ‘যোগাযোগ’ রাখছেন।
সিউলের ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সির মতে, কোনো এক সময়ে ট্রাম্প কিছু একটা করবেন।
ওএফ