Logo

আন্তর্জাতিক

আত্মহননের পথে বেছে নিলেন বিজেপি নেত্রী দীপিকা

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১০:৩৮

আত্মহননের পথে বেছে নিলেন বিজেপি নেত্রী দীপিকা

ভারতের গুজরাটের সুরাত থেকে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নারী নেত্রী দীপিকা পাটেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার নিজ বাড়ি থেকে দীপিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা বিজয় সিং গুরজার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

বিজিপি নেত্রীর সহকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, দীপিকা মানসিক চাপে ভুগছিলেন। দীপিকা পাটেল সুরাতের বিজেপি নারী মোর্চার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের নেত্রী ছিলেন। কৃষক স্বামী ও তিন সন্তান নিয়েই দীপিকার পরিবার।

স্থানীয় পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের পর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন গলায় ফাঁসের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান ফরেনসিক টিম। তবে দীপিকার মোবাইল ফোনটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, দীপিকার ফোন থেকে সবশেষ চিরাগ সোলাঙ্কিকে ফোন করেছিলেন। ফোনে দীপিকা চিরাগকে বলেছিলেন তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপে আছেন, হয়তো আর বাঁচবেন না। এ কথা শোনার পর চিরাগ দ্রুত দীপিকার বাড়ি পৌঁছান। সেখানে তিনি দেখেন দীপিকার ঘরের দরজা বন্ধ। দীপিকার সন্তানেরা তখন অন্য কক্ষে। চিরাগ দেরি না করে ঘরের দরজা ভেঙে দীপিকার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে দীপিকার স্বামী ও সন্তানদের সাথে কথা বলেও তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানায় স্থানীয় পুলিশ। এমনকি দীপিকার পরিবার কাউকে সন্দেহও করছে না।

দীপিকার পরিবার পুলিশকে বলেন, দীপিকা খুব শক্তিশালী মানসিকতার নারী ছিলেন, এমনকি পরিবারের সকল সিদ্ধান্তও দীপিকাই নিতেন।

এ মামলার জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, দীপিকার পরিবার নিশ্চিত করেছেন, দীপিকার মৃত্যুর আগে বা পরে কোনো হুমকির স্বীকার হননি।  পুলিশকে এ তদন্তের বিষয়ে সব ধরনের সহায়তা করবেন বলে জানিয়েছেন তারা। 

পুলিশ জানান, তারা সব দৃষ্টিকোণ থেকেই বিষয়টি তদন্তের চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে তারা চিরাগ সোলাঙ্কিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। তবে চিরাগ বলেন, দীপিকা আমার বোনের মতো ছিলেন।

ওএফ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর