ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে টানা পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর অবশেষে কিছুটা স্বস্তির বার্তা মিলেছে। ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছে উভয় পক্ষ। এই সময়ের মধ্যে অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।
এই কূটনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তার মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পথ সুগম হয়েছে। পরবর্তী ধাপের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ইসলামাবাদ-এ।
ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফায় রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। এদিকে চলমান যুদ্ধ বন্ধে আরো আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইরানের ১০ দফার প্রস্তাব ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তেহরানের সেই ১০ দফায় আসলে কী আছে।
ইরানের ১০ দফার প্রস্তাবের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো—
১. যুক্তরাষ্ট্রকে নীতিগতভাবে অনাক্রমণ বা আক্রমণ না করার নিশ্চয়তা ও অঙ্গীকার করতে হবে।
২. হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে।
৩. ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার মেনে নিতে হবে।
৪. ইরানের ওপর সরাসরি দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।
৫. পরোক্ষ বা তৃতীয় পক্ষের ওপর আরোপ করা সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।
৬. ইরানের বিরুদ্ধে নেওয়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সব প্রস্তাব বাতিল করতে হবে।
৭. আইএইএ পরিচালনা পর্ষদের সব প্রস্তাব বাতিল করতে হবে।
৮. (যুদ্ধে) ইরানের হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
৯. এই অঞ্চল থেকে যুদ্ধকালে মোতায়েন সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।
১০. লেবাননের বীরত্বপূর্ণ ইসলামি প্রতিরোধযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

