Logo

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ছে

Icon

হাসান রাজীব

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ২০:৫৭

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ছে

# চুক্তির খুব কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

# চুক্তিতে ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগ করতে পারে ইরান: নিউইয়র্ক টাইমস

# চুক্তির পর হরমুজ খুলে দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের

# সরকারি সফরে চীনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

# দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৫

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা এগোচ্ছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ও হস্তান্তরের বিষয়টি কাঠামোগত আলোচনা শুরু হওয়ার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। এই সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলবে। 

গত শনিবার প্রায় একই তথ্য জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক নিয়ে মুখপাত্র বাঘেই বলেন, আমরা বলতে পারি, একদিকে আমরা চুক্তি থেকে অনেক দূরে, অন্যদিকে খুব কাছেও আছি। কারণ আমরা অতীতে বহুবার দেখেছি, মার্কিন পক্ষ নিজেদের অবস্থান বদলেছে এবং পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। তাই তাদের অবস্থান আবারও পরিবর্তন হবে না-এমন নিশ্চয়তা নেই।

ইরানের মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, তেহরানের লক্ষ্য প্রথমে ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারকে পৌঁছানো। ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ের বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা হবে এবং শেষ পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে সেগুলো মূলত যুদ্ধ বন্ধে প্রাধান্য দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালি ঘিরে মার্কিন নৌ আগ্রাসন বন্ধ করা এবং ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্তি দেওয়া।

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করার পাশাপাশি তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যৎ আলোচনার একটি রূপরেখা তৈরির চেষ্টা চলছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে ধাপে ধাপে হরমুজ প্রণালি আবারও সচল করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কমানো বা অন্য কোনো দেশে স্থানান্তরের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।

অন্যদিকে দ্য ইসরায়েল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত কিছু অবরোধ শিথিল এবং নির্দিষ্ট কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় বিবেচনা করছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো বিভিন্ন নিরাপত্তা ইস্যু ও শর্ত নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছিলেন, যুদ্ধবিরতিকে কেন্দ্র করে একটি সমঝোতা স্মারক তৈরির বিষয়ে আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য সংলাপের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক কর্মসূচির নিরস্ত্রীকরণ এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা।

চুক্তির খুব কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। এই চুক্তির আওতায় ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে, যার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে এবং ইরান অবাধে তেল বিক্রি করতে পারবে। একইসঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়েও আলোচনা চলবে। এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমঝোতা স্মারকের আওতায় ওই ৬০ দিনের মেয়াদে হরমুজ প্রণালি কোনও শুল্ক ছাড়াই উন্মুক্ত থাকবে। এ ছাড়া জাহাজ চলাচল অবাধ করতে এই প্রণালিতে বসানো সব মাইন সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে ইরান। এর বিনিময়ে প্রস্তাবিত চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেবে এবং ইরানকে অবাধে তেল বিক্রির অনুমতি দিতে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, খসড়া চুক্তিতে ইরানের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করার বিষয়ে আলোচনা করবে এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেবে।

এই সমঝোতা স্মারকে এটিও স্পষ্ট করা হয়েছে যে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাতের অবসান ঘটবে। তবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যদি কোনও উসকানি দেয় বা হামলা চালায়, তবে ইসরায়েল তাদের ওপর পাল্টা আঘাত করার অনুমতি পাবে।

চুক্তিতে ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগ করতে পারে ইরান- নিউইয়র্ক টাইমস: ইরানের সঙ্গে প্রায় চূড়ান্ত হতে যাওয়া যে চুক্তির বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, তাতে ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগের ইঙ্গিত আছে। মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। 

টাইমস লিখেছে, সম্ভাব্য চুক্তিতে তেহরানের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগ করার বিষয়ে একটি ‘দৃশ্যমান প্রতিশ্রুতি’ আছে। খুঁটিনাটি বিষয়গুলো প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর আলোচনা করা হবে। 

ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার কর্মসূচি বন্ধের চাপ দিয়ে আসছে। টাইমসের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এএফপি লিখেছে,  তেহরান ঠিক কীভাবে ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগ করবে, তা বর্তমান প্রস্তাবে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরান আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ইরানি কর্মকর্তারা প্রায়ই জোর দিয়ে বলেছেন, দুই পক্ষের মধ্যে এখনো কিছু বিষয়ে দূরত্ব বা অমিল রয়ে গেছে। পরমাণু কর্মসূচি সংক্রান্ত বিতর্কটি প্রাথমিক আলোচনার অংশ হবে না।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এর আগে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ‘সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের একটি প্রবণতা’র কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘এর মানে এই নয় যে, আমরা সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছে যাব।’

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে বাঘাই বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য ছিল প্রথমে একটি সমঝোতা স্মারক বা এক ধরনের রূপরেখা চুক্তি তৈরি করা। প্রাথমিক এই রূপরেখা চূড়ান্ত হওয়ার পর ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা হবে।

চুক্তির পর হরমুজ খুলে দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের: শান্তি চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  সেইসঙ্গে চুক্তির ‘চূড়ান্ত কিছু বিষয় ও বিস্তারিত’ এখনও আলোচনাাধীন রয়েছে এবং খুব শিগগিরই তা ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি। 

তিনি বলেন, চুক্তির আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিও পুনরায় খুলে দেওয়া হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, তিনি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন এবং সেই আলোচনা ‘খুব ভালো’ হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বিবৃতি এসেছে এমন সময়, যখন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির শনিবার ইরান সফর শেষ করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী, সফরটি ‘সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ ছিল।

তেহরানের কর্মকর্তারা বারবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। কারণ, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র আগে দু’বার ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছিল বলে তাদের অভিযোগ।

সরকারি সফরে চীনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী: চার দিনের সরকারি সফরে চীনে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। গত শনিবার তিনি হাংঝৌ জিয়াওশান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান ঝেইজিয়াং প্রদেশের ভাইস গভর্নর জু ওয়েংগুং।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে পাকিস্তানে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জিয়াং যাইদং এবং বেইজিংয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত খলিল হাশমিও উপস্থিত ছিলেন।

সফরের অংশ হিসেবে শেহবাজ শরিফ চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ঝেইজিয়াং প্রাদেশিক কমিটির সেক্রেটারি ওয়াং হাওয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের সময় তার উপস্থিতিতে দুটি সহযোগিতা চুক্তি সই হয়। এর মধ্যে ঝেইজিয়াং প্রদেশ ও পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মধ্যে সিস্টার প্রভিন্স সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারকও রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। 

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আরও জানিয়েছে, পাকিস্তান ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তিকে সামনে রেখে দুই দেশের মধ্যে উন্নয়নভিত্তিক ও বাস্তবমুখী সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

সফরকালে চীনের বিভিন্ন শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক এবং আলিবাবা গ্রুপের সদর দপ্তর পরিদর্শনের কথাও রয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর।

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৫: দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক বিমান হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। গত শনিবার বিভিন্ন এলাকায় চালানো এসব হামলার পর পুরো দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম শাফাক নিউজ জানিয়েছে, কাফরা এলাকায় প্রথমে একটি হামলার পর আহতদের উদ্ধারে গেলে সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন উদ্ধারকর্মী আহত হন। তারা আগের হামলায় আহতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছিলেন।

এদিকে সির আল-গারবিয়া এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। স্থানীয় সূত্র বলছে, হামলার সময় ভবনটিতে নারী ও শিশুসহ একাধিক পরিবার অবস্থান করছিল।

অন্যদিকে আল-বাকবুক এলাকায় আরও ৫ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে জেজিন, নাবাতিয়েহ, টাইর এবং বিনত জবেইল জেলাজুড়ে একাধিক বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

নাবাতিয়েহ এলাকায় একটি সেনা ব্যারাকেও হামলা চালানো হয়েছে। এতে লেবানিজ সেনাবাহিনীর একজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির নিরাপত্তা সূত্র।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। নিহতদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক নারী, শিশু এবং চিকিৎসাকর্মী রয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথভাবে ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা শুরু করে। জবাবে ইরান পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিসহ বিভিন্ন স্থাপনা ও ইসরায়েলে হামলা চালায়। পাল্টাপাল্টি এ হামলার জেরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এপ্রিলের শুরুতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধবিরতি শুরু হয়, যা এখনো চলছে। যুদ্ধবিরতির পর থেকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির বিষয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা চলছে।


বাংলাদেশের খবর/এইচআর

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন