Logo

আন্তর্জাতিক

চিরকুট উদ্ধার

তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক আশিসের মরদেহ উদ্ধার

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৫৪

তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক আশিসের মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার দলীয় কার্যালয় থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক, মন্ত্রী ও ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) তার মরদেহ উদ্ধারের সময় একটি চিরকুটও পাওয়া গেছে। 

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ২০০১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা রামপুরহাটের বিধায়ক ছিলেন। রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর তিনি মমতার মন্ত্রিসভাতেও ঠাঁই পেয়েছিলেন। তিনি রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী এবং কৃষিমন্ত্রী ছিলেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিধানসভায় ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্বও পালন করেছেন। 

২০২৬ সালেও তাকে টিকিট দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিজেপি প্রার্থীর কাছে ২৪ হাজারের বেশি ভোটে হেরে যান আশিস। তারপর থেকে রাজনীতিতে তাকে আর তেমন সক্রিয় হতে দেখা যায়নি। পরাজয়ের পর তৃণমূলের অন্যান্য নেতাদের মতো তার বিরুদ্ধেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠে। 

রামপুরহাটের পাঁচবারের বিধায়ক আশিসের মরদেহের কাছে পাওয়া চিরকুটে লেখা ছিল ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’ চিরকুটে তিনি এও দাবি করেন, তিনি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন। 

নিজের রাজনীতিতে আসা নিয়ে আক্ষেপও করেছেন আশিস। পরিবারের সদস্যদের কাউকে ভবিষ্যতে রাজনীতিতে না জড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তিনি লিখেছেন, দলের অন্যায়কে মেনে নিতে না পারলেও তিনি কখনো প্রতিবাদ করতে পারেননি।

আশিস লেখেন ‘ছাত্রাবস্থা থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হয়েছি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। কোনো দিনই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হইনি।’ তিনি অভিযোগ করেছেন, তাকে ছোট করার জন্য অনেক কিছু করা হয়েছে। 

চিঠিতে তিনি আরও লেখেন, ‘টিআরডিএ-তে জেনারেল মিটিং ছাড়া আর কোনো দায়িত্ব ছিল না। আমি টেন্ডার কমিটিতে ছিলাম না। আমার চেক পাওয়ার ছিল না। আমি প্ল্যান পাস বা নো অবজেকশন সার্টিফিকেট ইস্যুর ব্যাপারেও ছিলাম না। আমার সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো দিন কেউ আলোচনা করেননি। আমাকে অপমান (ম্যালাইন) করার জন্য যা সব করা হলো, তাকে ধিক্কার জানাই। আজ তাই মনে হচ্ছে, রাজনীতিতে আসাটাই ভুল হয়েছে। আমার বংশের ছেলেদের রাজনীতি না করার পরামর্শ দিচ্ছি। ওরা ওদের নিজ নিজ কাজের মধ্যে থাক।’

বাংলাদেশের খবর/আরইউ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন