-67ca86c213fa4.jpg)
পুরুষে তোমার কিসের এতো ভয়,
কিসের এতো আতঙ্ক!
পুরুষ কি কেবল লোভ, ক্ষোভ আর ধ্বংস যে—
বিস্ফারিত বিদেহী আত্মা বলতে তুমি তাকে বোঝো?
সে কি কেবল মৃত্যু, যন্ত্র আর যন্ত্রণা,
নাকি ফের জিরাফের জ্ঞাতিভাই, কালো খাম, ধ্বংসযজ্ঞে সূচনা!
বারবার সেই তো ভাঙা বাঁশি, নিদারুণ আঘাত আর অসম্মানে জর্জরিত অভিযোগে বলো—
‘জানি তো, সব পুরুষ, হ্যাঁ সব পুরুষ একই!’
পুরুষ তো পিতা ও, পুরুষ তো প্রেম,
পুরুষই ফের সম্মান, ধৈর্য আর বাধ্যতার মিষ্টি হাসি!
বাসে ট্রেনে আয়েশের ঘুম ফেলে,
যে তোমাকে বসতে বলে খুশি মনে গাছ হয়,
সেও কি পুরুষ নয়!
রাজ্যের, রাষ্ট্রের, ক্ষমতার মোহ ভুলে,
ইতিহাস এফোঁড় ওফোঁড় করে,
তোমারই জন্যে তিন মহাসাগর সাতরেছিল যে বা যারা,
সে ও তো পুরুষই ছিল, ছিল কারো পিতা কিংবা আদরে আহ্লাদিত সন্তান।
যে পুরুষ তোমারই বিরহে কাঁদে,
তোমারই বর্ম হয়ে, বুকে-পিঠে শক্ত পাথর বাঁধে,
সে কীভাবে লোভ আর লালসার প্রতীক হয়!
সে কীভাবে দিনশেষে তোমার নয়!
যে পুরুষ অর্ধাঙ্গ, সে অঙ্গে 'দাঁড়ি' টেনে কীভাবে তুমি নিজেকে আঁকতে পারো!
যে পুরুষ পৃথিবী, সে পৃথিবী শূন্য ধরে কীভাবে তুমি নিজেকে ভাবতে পারো!
এমএইচএস