জ্বালানি সংকট নেই, যাত্রী অভিযোগও কম: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬, ১৫:৪৫
রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে বুধবার সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
ঈদকে সামনে রেখে দেশের গণপরিবহনে জ্বালানির কোনো সংকট নেই এবং যাত্রীদের অভিযোগও তুলনামূলকভাবে কম এমনটাই দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, অধিকাংশ পরিবহন নির্ধারিত ভাড়াই নিচ্ছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও ২০–৩০ টাকা কম নেওয়ার নজির রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পুলিশ ও র্যাবের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং মনিটরিং টিম কাজ করছে। কোথাও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অনিয়ম দেখা যায়নি। নির্ধারিত ভাড়ায় বাস চলাচল করছে এবং নির্ধারিত সময়েই ছাড়ছে। যাত্রীরা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে কিছু নির্দিষ্ট রুটে টিকিট সংকট থাকলেও বেশিরভাগ রুটে এখনো টিকিট পাওয়া যাচ্ছে।
মাঝপথের যাত্রীদের পুরো গন্তব্যের ভাড়া নেওয়া প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, একটি বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয় তার পূর্ণ রুটের ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে। তাই মাঝপথে নামলেও সেই হিসাবেই ভাড়া দিতে হয়।
তিনি আরও জানান, ১৫ মার্চ রাত থেকে গণপরিবহনে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। এমনকি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যমুনা সেতু দিয়ে অতিরিক্ত প্রায় ৩২ হাজার যানবাহন চলাচল করেছে।
জ্বালানি সংকট নিয়ে কোনো অভিযোগ না পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ সমস্যায় পড়লে ১৬০৭ নম্বরে হটলাইনে বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালেই দ্রুত সমাধান দেওয়া হবে।
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে মোবাইল টিম অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে।
এদিকে, যত্রতত্র বাস কাউন্টার স্থাপনের বিষয়ে পরিবহন মালিকদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ঈদের পর নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে এসব কাউন্টার সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে এবং কঠোর নজরদারি চালানো হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ঈদের পর অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা অনিয়মের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

