Logo

জাতীয়

সশস্ত্র বাহিনী রাষ্ট্রের শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৫০

সশস্ত্র বাহিনী রাষ্ট্রের শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক

সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, পরিবার কিংবা দলের সম্পত্তি নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের অবিচল আস্থাই হতে হবে সশস্ত্র বাহিনীর পথ চলার প্রধান ভিত্তি। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই আমাদের প্রতিটি সদস্যের একমাত্র এবং পবিত্র দায়িত্ব। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন এক সশস্ত্র বাহিনী চাই, যাদের বহিঃশক্তি সমীহ করবে, আর দেশের জনগণ রাখবে আস্থায়। পেশাদারির প্রশ্নে কোনো আপস না করে সশস্ত্র বাহিনীকে সব সময় একটি সুউচ্চ আদর্শিক অবস্থানে থাকতে হবে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি স্তরে দেশপ্রেমের যে অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন, তা যেন কখনো নিভে না যায়।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সশস্ত্র বাহিনীর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা স্বাধীনতা প্রিয় জনগণকে আশান্বিত করেছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী অস্থির সময় ও দৃশ্যমান প্রশাসনিক অচলাবস্থার মধ্যেও সশস্ত্র বাহিনী অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছে। এমন অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময়টাতেও শিল্পাঞ্চল, নগর-বন্দর এবং স্থবির হয়ে পড়া অর্থনীতির চাকা সচল রাখার ক্ষেত্রেও সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা ছিল ইতিবাচক। 

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তা ছিল দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে নানা ঘটনা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। ওই ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বাহিনীকে বিতর্কিত করার প্রচেষ্টা দেখা গেছে।


বাংলাদেশের খবর/এইচআর

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন