Logo

জাতীয়

জুনে সড়ক-রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় নিহত ৪৬৩

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১৫:৩২

জুনে সড়ক-রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় নিহত ৪৬৩

গত জুন মাসে সড়ক-নৌ ও রেলপথে দুর্ঘটনায় ৪৬৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সড়কপথে ৪৭২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪৩৮ জন। আহত হয়েছেন ৫৬১ জন। নিহতদের মধ্যে ৪৪ জন নারী ও ৫৬ জন শিশু।

সড়কপথে বেশি মারা গেছেন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। মোট ১৪৫টি বাইক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩৪ জন। পথচারী হিসেবে নিহত হয়েছেন ৯১ জন।

৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ২১টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ৭ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (৫ জুলাই) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করে সংগঠনটি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩৪ জন, যা মোট নিহতের ৩০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এছাড়া ৯১ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট প্রাণহানির ২০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। দুর্ঘটনায় চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৭ জন, যা মোট নিহতের ১৩ শতাংশ।

যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলা হয়েছে, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৩৪ জন, বাসের যাত্রী ২৭ জন, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ ও ট্রলির আরোহী ৩৭ জন, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সের আরোহী ১৪ জন, থ্রি-হুইলারের যাত্রী ১১২ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ১৫ জন এবং রিকশা ও সাইকেলের আরোহী ৮ জন নিহত হয়েছেন।

সড়কের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ১৯৪টি বা ৪১ দশমিক ১০ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। জাতীয় মহাসড়কে ঘটেছে ১৫১টি, গ্রামীণ সড়কে ৬৪টি, শহরের সড়কে ৫৭টি এবং অন্যান্য স্থানে ৬টি দুর্ঘটনা।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি ২০৬টি বা ৪৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এছাড়া ১০৯টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৯৭টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৫৩টি যানবাহনের পেছনে আঘাত এবং ৭টি অন্যান্য কারণে সংঘটিত হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় মোট ৭১৩টি যানবাহন সম্পৃক্ত ছিল। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ১৫৭টি, থ্রি-হুইলার ১৪১টি, বাস ১১৬টি, ট্রাক ১০৭টি, পিকআপ ২৮টি, কাভার্ডভ্যান ২৪টি, মাইক্রোবাস ১৬টি, প্রাইভেটকার ১৩টি, অ্যাম্বুলেন্স ৪টি, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ৪২টি, রিকশা ৭টি, বাইসাইকেল ৪টি এবং ৩০টি অজ্ঞাত যানবাহন ছিল।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ৩১ দশমিক ৩৫ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে সকালে। এরপর দুপুরে ১৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ, বিকেলে ১৪ দশমিক ১৯ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১১ দশমিক ৪৪ শতাংশ, রাতে ১৯ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং ভোরে ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।


বাংলাদেশের খবর/এইচআর

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন