‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন বুধবার
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৫
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি যুদ্ধাহত পরিবারগুলোর জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পরে অনলাইনে আবেদন করে সাধারণ দর্শনার্থীরাও জাদুঘরটি পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, জাদুঘরে প্রবেশের জন্য সবাইকে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। বড়দের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরটি খোলা থাকবে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়, ঐতিহাসিক দলিল, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র এবং নানা স্মারক নিয়ে সাজানো হয়েছে এই জাদুঘর।
উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। সেই রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছরের শাসনের অবসান হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

