কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী, থাকছে দিনব্যাপী কর্মসূচি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৮
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কপথে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। কিশোরগঞ্জ সদর ছাড়াও কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলায়ও যাবেন তিনি। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেবেন।
রোববার (১৬ আগস্ট) ৯টা ১৫ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে প্রধানমন্ত্রী রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আচমিতা ইউনিয়নে জর্জ ইনস্টিটিউট মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনসহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এসব কর্মসূচি শেষ করে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।‘
প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী কর্মসূচি: বেলা সাড়ে ১১টায় পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান, দুপুর সাড়ে ১২টায় কটিয়াদী কার্ড হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন, দুপুর ১টায় আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউটের মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ- ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও জাতীয় মৎস্য পদক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগদান, দুপুর আড়াইটায় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে সার্কিট হাউজে মধ্যাহ্নভোজ এবং ৪টায় পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিত-ভিক্ষু-পাদরিসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম এমপি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। তাঁর সফর কেন্দ্র করে সব স্তরের মানুষের মাঝে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা সঞ্চার হয়েছে। এ সফর কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে উন্নয়নের নবযাত্রার সূচনা হবে কিশোরগঞ্জে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান ১৯৯৮ সালে প্রথম কিশোরগঞ্জ গিয়েছিলেন। সে সময় ভৈরব ও কুলিয়ারচরে একাধিক পথসভা ও জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এ জেলায় এবারই তাঁর প্রথম সফর।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে ২২ জানুয়ারি ভৈরবে নির্বাচনি জনসভায় গিয়েছিলেন তারেক রহমান।

