বিমানবন্দরে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদার লক্ষ্য
বেবিচকের ১৫ কর্মীর বিশেষ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:০১
ছবি: সংগৃহীত
দেশের বিমানবন্দরগুলোতে অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বিমান দুর্ঘটনা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দক্ষতা বাড়াতে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৫ জন অগ্নিনির্বাপণ কর্মীর ৬০ দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে ‘Crash Fire & Rescue (CFR) Initial Course No. 05’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে সফল প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ প্রদান করা হয়।
গত ১০ জুন শুরু হওয়া প্রশিক্ষণ কোর্সটি ১ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। এভিয়েশন ফায়ার ফাইটিংবিষয়ক এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বিমান দুর্ঘটনা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দক্ষ জনবল তৈরি করা।
কোর্সে বেবিচকের ফায়ার বিভাগে কর্মরত ১৫ জন অগ্নিনির্বাপণ কর্মী অংশ নেন। প্রশিক্ষণকালে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া, অগ্নিনির্বাপণ গাড়ি পরিচালনাসহ ফায়ার ফাইটিংয়ের বিভিন্ন বিষয়ে নিবিড় ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
উক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (ICAO) মানদণ্ড অনুসরণ করে বিমানবন্দরের অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বিমান দুর্ঘটনাজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী বলেন, বিমান চলাচলের সার্বিক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা মোকাবিলায় এই প্রশিক্ষণের প্রকৃত সাফল্য তখনই নিশ্চিত হবে, যখন দেশের সব বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় অগ্নি সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
বিশেষ অতিথি বেবিচকের পরিচালক (ফায়ার) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ICAO-এর মানদণ্ড অনুযায়ী বিমানবন্দর পরিচালনা এবং Airport Emergency Plan বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপপরিচালক (এটিএম) মো. মজিবুর রহমান মিয়াজী এবং উপপরিচালক (ডিজাইন স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড এজিএ) মো. আবদুল লতিফ।
উল্লেখ্য যে, ICAO-এর গ্লোবাল এভিয়েশন ইমারজেন্সি প্ল্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোর অগ্নি নিরাপত্তা জোরদারে চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। প্রশিক্ষণে অর্জিত ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক জ্ঞান বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

