Logo

জাতীয়

ডিসেম্বর ঘিরে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

Icon

রায়হান উল্লাহ

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:২৩

অ
ডিসেম্বর ঘিরে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তার এ ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিপরীতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিরতা, সহিংসতা ও জনজীবনে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে এরই মধ্যে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে সাঁড়াশি অভিযান। আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের তালিকা ধরে চলছে গ্রেপ্তার। 

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে সারা দেশে ৫৩ হাজারের বেশি লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার বড় অংশ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী। ডিসেম্বরের আগে আরো ব্যাপক অভিযান এবং সম্ভাব্য নাশকতা ও উসকানি ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

অবশ্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা শেখ হাসিনার এ ঘোষণাকে নিছক কর্মীদের মনোবল চাঙা করার কৌশল অথবা আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় দেশে ফেরার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ হিসেবে দেখছেন। তবে ফেরা নিয়ে সমঝোতা হোক বা না হোক, ডিসেম্বর ঘিরে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি কঠোরভাবে প্রতিহত করতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। 

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, গত এক মাসে সারা দেশ থেকে ৫৩ হাজার লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ৬ দিনেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ১০ হাজার। রাজধানী ঢাকাতেই প্রতিদিন গড়ে ৫০০ জনকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, দেশে ফিরলেই গ্রেপ্তার ও মামলার ঝুঁকি থাকায় এ ঘোষণা শুধু কোণঠাসা হয়ে পড়া কর্মীদের মনোবল চাঙা করার কৌশল। তার ফেরা মূলত ভারত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যস্থতার ওপর নির্ভরশীল।

তবে অন্য অংশের মতে, ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে দীর্ঘকাল আশ্রয় দেওয়াকে নিজেদের জন্য চাপ মনে করছে। তাই নিরাপত্তা ও আইনি নিশ্চয়তার ভিত্তিতে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মাধ্যমে তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে।

আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞদের মতে, শেখ হাসিনা যদি সত্যিই দেশে ফেরেন, সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে যেতে পারে সরকার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নেওয়া হতে পারে কঠোর ব্যবস্থা। কিন্তু সেখানেই তৈরি হবে সবচেয়ে সূক্ষ্ম ভারসাম্যের প্রশ্ন। আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা কতটা বাড়বে? আর রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে নাগরিক ও রাজনৈতিক পরিসর কতটা সংকুচিত হবে?

সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাপক ধরপাকড় চললেও কারাগারের ধারণক্ষমতা বড় একটি শঙ্কার জায়গা তৈরি করেছে। দেশের কারাগারগুলোর মোট ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৫ হাজার হলেও সেখানে গড়ে লাখের কাছাকাছি বন্দি রয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, আত্মগোপনে থেকে গোপনে দলের কার্যক্রম পরিচালনাকারীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ডিসেম্বরের আগেই তাদের গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা উসকানিমূলক পোস্ট ঠেকাতে সাইবার পুলিশ ইউনিট নিবিড় নজরদারি চালাচ্ছে।

বুধবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কঠোরভাবে প্রতিহত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, আইনবিরোধী রাজনৈতিক দলকে কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে দেওয়া হবে না। দেশের জনগণ, বিশেষ করে ঢাকা মহানগর এলাকায় যারা বসবাস করেন, তাদের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে আমরা সচেষ্ট, সজাগ রয়েছি। যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেব।

শফিকুল ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ দলের কর্মকাণ্ড ঠেকাতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। এ বিষয়ে গ্রেপ্তার অভিযান চলমান।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ বলেন, ডিসেম্বরকে ঘিরে রাজধানীতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা জনজীবন অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা বিন্দুমাত্র বরদাশত করা হবে না।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্কতামূলকভাবে আগাম তথ্য সংগ্রহ করছে। মাঠপর্যায়ের পুলিশকে এসব বিষয়ে অবহিত করে সতর্ক থাকার ওপর জোর দেওয়া পুলিশের নিয়মিত কাজ।

বাংলাদেশে আসার সঙ্গে সঙ্গেই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তার মতে, নিজে নিজে এসে শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণ করার কোনো আইনগত সুযোগ নেই। কারণ তিনি ভারত সরকারের অধীনে রয়েছেন। অতএব চাইলেই আসতে পারবেন না।

আমিনুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তাই যেকোনোভাবে বাংলাদেশে ফিরলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে প্রথমেই তাকে গ্রেপ্তার হতে হবে। এরপর জেলহাজতে গিয়ে তিনি যদি কোনো আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে আপিল করেন, সেটা অন্য প্রসঙ্গ। কিন্তু শেখ হাসিনা আদৌ আসবেন কিনা বা আপিল করবেন কিনা- সেসবের তেমন নিশ্চয়তা নেই।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শেখ হাসিনা দেশের মাটিতে পা রাখলেও প্রসিকিউশনের কিছু করা লাগবে না। কেননা তার মৃত্যুদণ্ড পাওয়া মামলাটি নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা রয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বলা আছে, যেকোনো রায় প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে আসামি নিজেই আপিল করতে পারবেন। যেহেতু শেখ হাসিনা এ সময়ের মধ্যে আপিল করেননি, সেহেতু আর করতে পারবেন না। এরপরও যদি দেশে এসে আপিল করেন, তখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেভাবেই হবে। তবে আপাতত আপিল করার আইনগত সুযোগ নেই তার।

আইনের চোখে শেখ হাসিনা পলাতক থাকলেও ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি ভারত সরকারের অধীনে জীবনযাপন করছেন। সেখানে পলাতক নন। যদিও আইনের দৃষ্টিতে পলাতক। এ কারণে তাকে ফেরত বা হস্তান্তরের জন্য এরই মধ্যে ভারত সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। তাই ভারত হস্তান্তর না করলে তার কোনোভাবেই আসা সম্ভব নয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা মাঝে মধ্যে দেশে ফেরার বিষয়ে যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তা মূলত রাজনৈতিক ‘স্টান্টবাজি’। দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙা রাখার কৌশল। দেশে ফিরলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। বর্তমান বয়স ও পরিস্থিতিতে তিনি সেই আইনি লড়াই এবং দেশের সামগ্রিক বাস্তবতা মোকাবিলা করবেন কি না— তা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক স্লোগান ছাড়া আর কিছু নয়’ বলে মনে করেন তিনি।

রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক সাইফুল আলমের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়। ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিক্ষা ও কর্মজীবন ব্যাহত হয়। ভয় ঢুকে পড়ে মানুষের ঘরে। এখানে-ওখানে প্রাণহানি ঘটে। তাই ডিসেম্বরের প্রশ্ন শুধু কে কত বড় সমাবেশ করতে পারবে, কে কাকে রুখতে বা ধরতে পারবে— তা নয়।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, যদি সমঝোতা ছাড়াই প্রত্যাবর্তন এবং জোরপূর্বক প্রতিরোধের পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা দেখা দিতে পারে। কেবল পুলিশি শক্তি বা গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কেবল প্রধান উসকানিদাতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। নতুবা কারাগারগুলোর অতিরিক্ত বন্দি সংকটের কারণে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।

সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল অবশ্য শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণাকে একটু অন্যভাবে দেখছেন। তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ঘোষণাকে স্রেফ মনস্তাত্ত্বিক কৌশল ভাবার অবকাশ নেই। রাজনৈতিক পুনর্বাসন এবং দেশের মাটিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের তাগিদ এখানে বড় চালিকাশক্তি। তবে আত্মগোপনে থাকা নেতারা যদি উপযুক্ত সময়ে মাঠে নেমে পড়েন, তবে সাঁড়াশি অভিযান দিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘যাকে ধরে আনতে চাই... উনি বলছেন আসবেন। তো উনি আসুক, আমরা প্রস্তুত আছি এবং এটাও বলছি... আমরা তার প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করব। গ্রেপ্তার হওয়ার পর ওনার যা আইনগত অধিকার, উনি সেটা চর্চা করুন। ...আদালত যে রায় দেবেন, সে মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস— যাই হোক, সেটা মেনে নিতে প্রস্তুত আছি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনারা ডিসেম্বর নিয়ে এত চিন্তিত কেন? ডিসেম্বর তো আমাদের বিজয়ের মাস। এই মাসে কোনো অপশক্তি দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি না।’ তিনি বলেন, ‘ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ থাকবে না। দেশে ফেরার সাথে সাথেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং আদালতের দেওয়া রায় আইন অনুযায়ী কার্যকর করা হবে। আমরা সবসময়ই চেয়েছি তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ফিরে আসুন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারত সরকারের কাছে চিঠি ও তাগিদপত্র পাঠানো হয়েছিল। আমরা তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে সাজা নিশ্চিত করতে চাই।’

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা সেদিন দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দায়িত্ব নেওয়া বিগত অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলটির বিচারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের যাবতীয় রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় ২০২৫ সালের মে মাসে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ২০২৬ সালের এপ্রিলে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া আইনের মাধ্যমে তা স্থায়ী বৈধতা লাভ করে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হয়।

এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি। রাজউকের পূর্বাচলে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির দায়েও তার কয়েক বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তিতে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে এক অডিও সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তিনি আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে চান। তার সঙ্গে দেশের বাইরে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা ও দেশে থাকা নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তথ্য রয়েছে। 

বাংলাদেশের খবর/আরইউ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন