দল থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে ইসির বক্তব্য
বাংলাদেশেরখবর ডেস্ক :
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১৮:১৭
দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য দল থেকে বহিষ্কৃত হলে তার সংসদীয় আসন শূন্য হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নথি হাতে পাওয়ার পরই নির্বাচন কমিশন (ইসি) আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২২ জুলাই) নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনীত সংসদ সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলে তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না এবং সংশ্লিষ্ট আসন শূন্য ঘোষণা করা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক ও আইনগত কাঠামো অনুযায়ী দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পরিচয় ও অবস্থান দলীয় কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত। সে কারণে কোনো দল আনুষ্ঠানিকভাবে একজন সদস্যকে বহিষ্কার করে এবং তার দলীয় অবস্থান প্রত্যাহার করলে আইনগত প্রক্রিয়ায় আসন শূন্য হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।
তবে নির্বাচন কমিশনের হাতে এখনো সংশ্লিষ্ট বহিষ্কারাদেশের কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা নথি পৌঁছেনি বলে জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব কার্যপ্রণালি ও উপনির্বাচন সংক্রান্ত নির্ধারিত প্রক্রিয়া রয়েছে। আনুষ্ঠানিক নথি পাওয়ার পর সংবিধান, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনা করে কমিশন তার দাপ্তরিক অবস্থান নির্ধারণ করবে।
তিনি আরও বলেন, অনুমাননির্ভর কোনো তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত মতামত দেওয়া সমীচীন নয়। লিখিত নথি পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে আসন শূন্য ঘোষণা এবং পরবর্তী উপনির্বাচনের সময়সূচি সম্পর্কেও তখন জানানো হবে।
এর আগে বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না এবং সংশ্লিষ্ট আসনে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হবে কি না—তা এখন নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
বাংলাদেশেরখবর/আরকে

