বাংলাদেশের পত্রিকা থেকে
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৩৬

শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ
প্রথম আলোর প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন টানাপোড়েনের কেন্দ্রে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল শুক্রবার ব্যাংককে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রথমবারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলোচনায়ও এসেছে শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ।
অভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি বৈঠকে তুলেছে ঢাকা। পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন, তিস্তা চুক্তি সইসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে ভারত উদ্বেগ জানিয়েছে। দিল্লি আশা প্রকাশ করেছে, ভবিষ্যতে ভারত এমন এক গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ দেখতে চায়, যেখানে নির্বাচনের একটি ভূমিকা রয়েছে।
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের সাংরিলা হোটেলে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন শেষে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৪০ মিনিটের বৈঠকে দুই নেতা সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করার পাশাপাশি চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে খোলাখুলিভাবে কথা বলেছেন। আলোচনায় পারস্পরিক স্বার্থ ও উদ্বেগের বিষয়গুলোও উঠে এসেছে।
বৈঠকের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলা হয়েছে, বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশের গভীরভাবে মূল্য দেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা আমাদের দুই দেশের জনগণের কল্যাণের স্বার্থে সম্পর্ককে সঠিক পথে স্থাপনের লক্ষ্যে আপনার সঙ্গে একত্রে কাজ করতে চাই।’
ইউনূস-মোদি বৈঠক
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, অনেক জল্পনাকল্পনার পর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে গতকাল বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ৫ আগস্ট গণ অভ্যুত্থানে বাংলাদেশে পট পরিবর্তনের পর দুই প্রতিবেশী সরকারপ্রধান তৃতীয় একটি দেশে প্রথমবারের মতো এ বৈঠক করলেন। বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি ৪০ মিনিট কথা বলেছেন নিজেদের মধ্যে। এ সময় নরেন্দ্র মোদির কাছে বাংলাদেশ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়েছেন ড. ইউনূস। অন্যদিকে বাংলাদেশে দ্রুত অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় ভারতের প্রত্যাশার কথা ড. ইউনূসকে বলেছেন মোদি।
দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে পৌঁছান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেদিন সন্ধ্যায় বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর জোট বিমসটেকের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর শীর্ষ নেতাদের জন্য আয়োজিত নৈশভোজে এক দফায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা হয় ড. ইউনূসের। কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তাদের বেশ কিছু সময় কথাও বলতে দেখেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গতকাল সকালে শীর্ষ সম্মেলন শেষ হলে সাইডলাইনে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি। আধা ঘণ্টার বেশি সময়ের আলোচনা শেষে প্রধান উপদেষ্টা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে একটি ছবি উপহার দেন। ছবিটি ২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারি মুম্বাইতে হওয়া ১০২তম ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে অধ্যাপক ইউনূসকে নরেন্দ্র মোদির স্বর্ণপদক প্রদানের সময়ের।
ব্যাংককে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে ড. ইউনূস
শেখ হাসিনাকে ফেরত দিন
যুগান্তরের প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, অনেক জল্পনাকল্পনার পর অবশেষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়াও ভারতে বসে হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য, সীমান্ত হত্যা, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন, তিস্তার পানিবণ্টনসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় তুলেছেন ড. ইউনূস। বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারতের আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছেন মোদি।
পাশাপাশি তিনি সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সহিংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। নরেন্দ্র মোদি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে ভারতের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
পরিবারটির কেউ বেঁচে নেই
মানবজমিনের প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, এ যেন বিষাদের স্মৃতিচিহ্ন। চিরতরে ছিনিয়ে নিলো পরিবারটির সুখ-স্মৃতি। আনন্দের যাত্রাই হলো তাদের শেষযাত্রা। এক এক করে সবাই চলে গেলেন মৃত্যুর মিছিলে। ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম ও লুৎফুন নাহার দম্পতি। সন্তানদের নিয়ে ঈদের ছুটিতে যাচ্ছিলেন কক্সবাজারে। সমুদ্রসৈকতে সবাইকে নিয়ে করবেন ঈদ উপভোগ। কিন্তু সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় নিমিষেই। একটি দুর্ঘটনায় নিঃশেষ হয়ে গেল পরিবারটির সুখ-দুঃখের গল্প।
বুধবার কক্সবাজার যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান রফিকুল ইসলামসহ তার পরিবারের পাঁচ সদস্য। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার মেয়ে প্রেমা। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনদিন পর শুক্রবার তিনিও মারা যান। এ নিয়ে এই সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো এগারোজন। চিকিৎসক ডা. ধীমান চৌধুরী বলেন, গুরুতর আহত প্রেমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়। প্রেমার মামী জেসমিন রহমান বলেন, ডাক্তাররা চেষ্টা করেও তার জ্ঞান ফেরাতে পারেনি। পরিবারের সবাই চলে গেল। আমাদের শেষ ভরসাটাও বেঁচে রইলো না।
নিহত প্রেমার মামী সোনিয়া মানবজমিনকে বলেন, প্রেমা দুপুরে চমেক হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। দুর্ঘটনার প্রথম দিনেই প্রেমার বাবা-মাসহ দুই বোন মারা যায়। প্রেমা বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকার মিরপুরে থাকতো। আমার দুলাভাই একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। এখন তাদের পরিবারে আর কেউ নেই। প্রেমাকে নিয়ে আমাদের একটা আশা ছিল সেটিও শেষ হয়ে গেল।
যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে কক্সবাজারগামী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। লোহাগাড়ার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন মাইক্রোবাসে থাকা রফিকুল ইসলাম (৪৮), তার স্ত্রী লুৎফুন নাহার সুমি (৩৭), ছোট মেয়ে লিয়ানা ও ভাগনি তানিফা ইয়াসমিন। হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যায় মেজো মেয়ে আনিশা।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সেবা দেয়ার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ৫৯% চিকিৎসক পদই ফাঁকা
বণিক বার্তার প্রথম পাতায়, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এ চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রতিদিন গড়ে ৮০-৯০ রোগী ভর্তি থাকে। এর বিপরীতে নিয়মিত চিকিৎসক রয়েছেন কেবল তিনজন। তাদের মধ্যে আবার কেউ না কেউ প্রায়ই ছুটিতে কিংবা অন্যান্য কারণে অনুপস্থিত থাকছেন। ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে বাইরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ছুটছে রোগী। উপজেলাভিত্তিক প্রায় সব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই এ চিত্র।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশের উপজেলাভিত্তিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর প্রায় ৫৯ শতাংশ চিকিৎসক পদই ফাঁকা। সবচেয়ে বেশি পদ শূন্য বরিশাল ও রংপুর বিভাগে। পদায়ন করা হলেও এসব অঞ্চলের স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোয় চিকিৎসকরা বেশি দিন থাকতে চান না বলে অভিযোগ। ফলে বরিশালে ৭৩ দশমিক ৬ শতাংশ পদই শূন্য। রংপুরে ৭০ শতাংশ পদের বিপরীতে চিকিৎসক নেই। এছাড়া খুলনা বিভাগে ৬৭ দশমিক ৫ শতাংশ, রাজশাহী বিভাগে ৬৩ দশমিক ৭ শতাংশ, সিলেট বিভাগে ৬১ দশমিক ৬ শতাংশ চিকিৎসক পদ ফাঁকা পড়ে আছে। সে তুলনায় ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর চিত্র কিছুটা ভালো। এ দুই বিভাগে চিকিৎসকের শূন্য পদের হার যথাক্রমে ৫৮ দশমিক ৩ ও ৫১ দশমিক ৬ শতাংশ।
চিকিৎসকসহ প্রায় সব সরকারি চাকরিজীবীর বিরুদ্ধেই প্রধান অভিযোগ, তারা ঢাকায় থাকতে চান। ফলে ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোর অনেক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পদের তুলনায় বেশি চিকিৎসক কর্মরত। এর পরও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোয় ৪২ দশমিক ৮ শতাংশ পদই শূন্য পড়ে আছে। সব মিলিয়ে দেশের উপজেলাভিত্তিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ পদে কোনো চিকিৎসক কর্মরত নেই। সে হিসাবে অর্ধেকেরও কম চিকিৎসক নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো।
চলতি মাসেই কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে বিএনপি
সমকালের প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, আগামী সংসদ নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে নামছে বিএনপিসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। এ মাস থেকে শুরু হবে তাদের নানা কর্মসূচি। ধীরে ধীরে এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে তারা। এর আগে সরকারের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে আগামী সপ্তাহে আবারও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করবেন বিএনপি নেতারা। সেখানে নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানানো হবে। এ ছাড়া ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিও জানানো হবে।
বিএনপি ও সমমনা কয়েকটি দলের নেতারা জানান, নির্বাচন নিয়ে সরকারের একেক সময়ে একেক বক্তব্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এতে রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি আরও অনেক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে। দেশ-বিদেশেও খারাপ বার্তা পৌঁছানোর আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
আবার অনির্বাচিত সরকার বেশি দিন ক্ষমতায় থাকলে এটি জাতির জন্য আরেকটি নেতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি হবে। এ জন্য উদার রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি ডান ও বাম দলগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে অভিন্ন দাবিতে এসব দল সোচ্চার রয়েছে। খুব শিগগির আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল নেওয়া হবে। সেখান থেকে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানানো হবে। একই সঙ্গে একই দাবিতে পৃথক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে ভূমিকা রাখবে এসব দল। এতেও কাজ না হলে ধীরে ধীরে কর্মসূচির তীব্রতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে ওইসব দলের। তবে আপাতত সরকারের ওপর সমর্থন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে।