ফিরে দেখা
ফিফা বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের এক অনন্য ইতিহাস
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ২০:৩৮
২০২৬ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণ শুরু হতে আর মাত্র ২৩ দিন বাকি। মাঠের লড়াই শুরুর এই ক্ষণগণনাকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ফিফা’ প্রতিদিন প্রকাশ করছে বিশ্বকাপ ইতিহাসের এক একটি স্মরণীয় পরিসংখ্যান।
কাউন্টডাউনের ২৩তম দিনে ফিফা ফিরিয়ে এনেছে
সুইজারল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের (ন্যাটি) বিশ্বকাপ ইতিহাসের এক অদ্ভুত ও অনন্য রেকর্ডকে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ‘ক্লিন শিট’ বা কোনো গোল
না হজম করে ম্যাচ শেষ করার কৃতিত্ব দেখাতে সুইজারল্যান্ডকে খেলতে হয়েছিল দীর্ঘ ২৩টি
ম্যাচ।
ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ক্লিন
শিট পেতে অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় সুইসদের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ অপেক্ষা করতে হয়েছে।
২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে নিজেদের
অষ্টম আসরে এসে অবশেষে এই অপেক্ষার অবসান ঘটায় সুইজারল্যান্ড। আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই
জিনেদিন জিদান, ফ্রাঙ্ক রিবেরি ও থিয়েরি অঁরিদের মতো বিশ্বকাঁপানো ফরোয়ার্ডদের নিয়ে
গড়া শক্তিশালী ফ্রান্স দলকে গোলশূন্য (০-০) রুখে দেয় তারা। ফ্রান্সের সেই বিখ্যাত আক্রমণভাগকে
সেদিন একাই হতাশ করেছিলেন সুইস গোলরক্ষক প্যাসকাল জুবারবিউলার।
ফ্রান্সের বিপক্ষে সেই প্রথম ক্লিন শিটের
পর সুইসদের রক্ষণভাগ যেন ইস্পাতকঠিন দেয়ালে পরিণত হয়। অবিশ্বাস্যভাবে সেই আসরে গ্রুপ
পর্বের বাকি ম্যাচগুলোতে টোগো (২-০) এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে (২-০) হারিয়ে কোনো গোল না
খেয়েই নকআউট পর্বে পা রাখে দলটি।
এরপর শেষ ১৬-এর লড়াইয়ে ইউক্রেনের বিপক্ষে
ম্যাচটিও অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত ০-০ গোলে ড্র হয়। তবে টাইব্রেকারে ইউক্রেনের কাছে হেরে
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় সুইজারল্যান্ডকে। এর মাধ্যমেই ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে
প্রথম এবং একমাত্র দল হিসেবে কোনো গোল না হজম করেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার এক
অদ্ভুত ও রোমাঞ্চকর রেকর্ড গড়ে সুইসরা। পুরো আসরে জুবারবিউলারের গোলপোস্ট অক্ষত রাখতে
রক্ষণভাগে প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ফিলিপ ডেগেন, লুডোভিক মানিয়াঁ, প্যাট্রিক মুলার,
ফিলিপ সেন্ডেরস এবং জোহান ভোগেল।
বাংলাদেশের খবর/এম.আর

