সংগৃহীত
ওয়ানডে সিরিজে সাফল্যের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজটা হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিকদের ৪ উইকেটে হারিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া।
চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ১৩১ রানে অলআউট হয়। জবাবে ১০ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।
১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ওপেনার জশ ইংলিশকে (৫) ফেরান শরিফুল ইসলাম। এরপর মুস্তাফিজুর রহমান আউট করেন অধিনায়ক মিচেল মার্শকে (১৩)। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও কুপার কোনোলির ঝড়ো ব্যাটিং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেয় অস্ট্রেলিয়ার হাতে।
মাত্র ২৭ বলে ৪৭ রান করে দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন কোনোলি। পরে টিম ডেভিড ২০ রান করে আউট হন। ম্যাট রেনশ ও নিখিল চৌধুরীও ১৮ রান করে বিদায় নিলেও শেষ পর্যন্ত আর কোনো বিপদ ঘটতে দেয়নি অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ২টি উইকেট নেন। এছাড়া শরিফুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান একটি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসানের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ২৬ রান। সাইফ ২০ ও তানজিদ ১০ রান করে আউট হন। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৫২ রান তুললেও এরপরই ধস নামে স্বাগতিকদের ইনিংসে।
চোটের কারণে নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে দলকে নেতৃত্ব দেন তাওহিদ হৃদয়। তবে অধিনায়কত্বের অভিষেকটা রাঙাতে পারেননি তিনি। মাত্র ৮ রান করে অ্যাডাম জাম্পার বলে বোল্ড হন হৃদয়।
একই বোলারের শিকার হন সৌম্য সরকারও, তিনি করেন ১৭ রান। পারভেজ হোসেন ১০, শামীম পাটোয়ারী ১ এবং অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১০ রান করে ফিরে গেলে বড় সংগ্রহের আশা শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের।
শেষদিকে শেখ মেহেদী হাসানের অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংসে ভর করে কোনোভাবে ১৩১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় স্বাগতিকরা।
অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তিনি ৩ উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন। অস্ট্রেলিয়ার চার স্পিনার মিলে বাংলাদেশের ৯টি উইকেট শিকার করে ম্যাচে আধিপত্য দেখান।
এই জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। এখন সিরিজে সমতা ফেরাতে পরের ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে।
বাংলাদেশেরখবর/আরকে

