-67dfd100e6a78.jpg)
ছবি : সংগৃহীত
স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ভিটামিন ডি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সূর্যের আলোই ভিটামিন ডি-র সবচেয়ে শক্তিশালী উৎস। তবে গ্রীষ্মে সূর্যের তাপ থেকে ত্বক পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। তাই ভুল সময়ে বাইরে বের হলে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে। এখন প্রশ্ন হল দিনের কোন সময়ে বের হলে অন্য কোনো ক্ষতির চিন্তাও থাকবে না আবার ভিটামিন ডি-ও শরীরে প্রবেশ করবে?
হাড়কে শক্তিশালী করতে ভিটামিন ডি-র জুড়ি নেই। এটি ক্যালসিয়াম শোষণ করে হাড়কে শক্তিশালী করে। মনমেজাজ ভাল রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পেশির কার্যকারিতা বাড়িয়ে সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি। এই ভিটামিনের অভাবে অবসাদের মতো মানসিক রোগ দেখা দেয়।
চিকিৎসকদের মতে, ‘সূর্যের রশ্মি যেই সময় প্রখর থাকে মূলত সেই সময়ে ভিটামিন ডি বেশি পাওয়া যায়। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সূর্যের আলো সবচেয়ে শক্তিশালী থাকে। অর্থাৎ ইউভিবি (অতিবেগনি বি রশ্মির বিকিরণ) সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়’। তবে এই সময়ে বাইরে বের হতে চিকিৎসকেরা নিষেধ করে থাকেন। কেননা সরাসরি সূর্যালোক ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই গ্রীষ্মকালের জন্য সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টার সময়টিই উপযুক্ত।
ভিটামিন ডি পেতে এই সময়টিকে বেছে নিতে পারেন। শরীরের ১৫ শতাংশ উন্মুক্ত রাখবেন। অর্থাৎ মুখ এবং দুই হাতই যথেষ্ট। কিন্তু বাইরে বের হলে কোনো ভাবেই সানস্ক্রিন লাগানো যাবে না। এ ব্যাপারে চর্মরোগ চিকিৎসক ইসমত আরা খান জানান, ‘যেই সময়ে ভিটামিন ডি জোগানের জন্য বাইরে যাচ্ছে মানুষ, তখন কোনও ভাবেই সানস্ক্রিন লাগানো যাবে না। এসপিএফ যদি ৮-ও হয়, তা হলেও অতিবেগনি রশ্মিকে আটকে দেবে। যার ফলে কোনো লাভ হবে না’।
টিএ